image001

চলচ্চিত্রে আসার পর থেকেই নুসরাত ফারিয়া শিকার হচ্ছেন একের পর এক সমালোচনা ও নেতিবাচক শিরোনামের। এর কতটা তার প্রাপ্য? উত্তর খুঁজেছেন আতাউর রহমান ও স্নিগ্ধ রহমান

বের হয়েছে নুসরাত ফারিয়ার গান “পাটাকা”। এই সুযোগে সবাই নেমেছে তাদের পুরনো পছন্দের খেলায়- “আসুন নুসরাত ফারিয়াকে গালি দেই”। বেচারীর বিপদের শেষ নাই। একেতো বাংলা কমার্শিয়াল সিনেমা করে। তারওপর আবার নায়িকা। বলিউডের সব নায়িকা হেড়ে গলায় মেলোডিয়াস গান করুক সমস্যা নাই। ফারিয়া কেন করবে? ফারিয়ার ত্রুটিগুলো 29472892_1375698672534958_4510133324894699520_nসমসাময়িক নায়িকাদের সাথে তুলনা করে দেখা যাক (মাহি আর বুবলিকে হিসেবের বাইরে রাখছি। কারণ মাহি যে সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছেন, তাতে অটল থাকলে তার ক্যারিয়ারে কৃষ্ণপক্ষ চলতেই থাকবে। আর বুবলি আসলে নতুন অপু বিশ্বাস বৈ আর কিছু নন)। তার চে কথা বলা যাক ফারিয়াকে নিয়ে-
ফারিয়ার অভিনয় ভালো না। -দশ বছরের ক্যারিয়ার শেষে মীমের অভিনয় কতটা ভালো?
ফারিয়া দেখতে সুন্দরী না। -পরীমনি তো মহা সুন্দরী। তার ক্যারিয়ারে কয়টা হিট?
ফারিয়া ভালো নাচতে পারে না? -এখন যারা নায়িকার চরিত্র করে, তাদের মাঝে সবচে ভালো নাচে তমা মির্জা। তার কয়টা সিনেমা হলে গিয়ে দেখেছেন?
ফারিয়ার পোশাক বেশি ছোট। আমার লজ্জা লাগে। -প্রথমত, বেশি লজ্জা লাগলে তাকায়েন না। আর দ্বিতীয়ত, ববি তো ফারিয়ার আগে থেকেই ফারিয়ার চেয়ে সাহসী পোশাক পড়ে আসছেন। কই তাকে নিয়ে তো এত কথা হয় না।
ফারিয়া বাংলা সিনেমা করে। -দূরে গিয়ে মরেন!
ঠিক আছে, ফারিয়ার মতো কমপ্লিট প্যাকেজকে আপনার পছন্দ না। কিন্তু তারপরও আপনার পছন্দের নায়িকা তো সব সিনেমা করতে পারবে না। একটা ইন্ডাস্ট্রীর জন্য সব রকম শিল্পী থাকার প্রয়োজন। জিনাত আমান নায়িকা থাকা অবস্থাতেই পারভীন ববি (যাকে বলা হতো, poor man’s zeenat aman) নিয়মিত সিনেমা করেছেন। আর পরিচালকরাও তাকে সেভাবেই ব্যবহার করেছে। সব শ্রেণীর দর্শক সব নায়ক-নায়িকার সিনেমা দেখে না। মধ্যবিত্ত দর্শক কখনোই অপু বিশ্বাসের সিনেমা দেখবে না। আর শ্রমজীবী শ্রেণী নায়িকা হিসেবে মেনে নেবে না জয়া আহসানকে। এটাই বাস্তবতা। এমনিতেই একটু ক্লাসি (মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে আকর্ষণ করবে এমন কেউ) বাংলা সিনেমায় “নামতে” চায় না। আর যদি সিনেমা শুরুও করেও, তাকে নেতিবাচক মন্তব্যর শিকার হতে হয়। ফলাফল- দেশীয় পর্দায় শ্রাবন্তী আর শুভশ্রী নেচে বেড়াচ্ছে।
নুসরাত ফারিয়ার আগমন এমন একটি সময়ে, যখন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র প্রবলভাবে ‘নায়িকা’ সংকটে ভুগছে। নুসরাতের আগে-পরে অনেকেই এলেন, আবার চলেও গেলেন। দু’একজন আশার আলো দেখালেও, শেষ পর্যন্ত কিন্তু তা গুড়েবালিই। আর পুরনো নায়িকারা সিনেমা ছেড়ে এখন ঘরকন্নাতেই বেশি মনোযোগী হয়েছেন (নতুনরাও অবশ্য পিছিয়ে নেই)।
নুসরাতের পুরো নাম নুসরাত ফারিয়া মাজহার। ফারিয়ার বাবা মাজহারুল ইসলাম এবং মা ফেরদৌসি বেগম। তিন ভাই-বোনের মধ্যে নুসরাত মেজ। বড় বোন মারিয়া এবং ছোট ভাই ফরিদ। শহীদ আনোয়ার থেকে এসএসসি (এ+) ও রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ থেকে এইচএসসি (গোল্ডেন এ+) পাস করেন নুসরাত। এরপর ভর্তি হন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (আইইউবি)-এ ব্যবসায় প্রশাসনে।
ফারিয়াকে প্রথম টিভি পর্দায় দেখা যায়, ২০১০ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক’ প্রতিযোগিতায়। সেবার সেরা বক্তার পুরস্কারও জিতে নেন তিনি। ২০১২ সালে আরটিভির কুইজ শো ‘ঠিক বলছেন তো!’ এর মাধ্যমে প্রথম বারের মত উপস্থাপনায় নাম লেখান। একে একে উপস্থাপনা করেন আরটিভির ‘লেট নাইট কফি উইথ নুসরাত ফারিয়া’, এটিএন বাংলার ‘ট্রেন্ড’ এবং চ্যানেল আই এর ‘ফেয়ার অ্যান্ড হ্যান্ডসামঃ দ্য image002আল্টিমেট ম্যান’-এর মত জনপ্রিয় অনুষ্ঠানগুলো। আরজে হিসেবেও রেডিও ফুর্তির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘নাইট শিফট উইথ নুসরাত ফারিয়া’ এর জন্য দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি।
২০১৫ সালের কোরবানি ঈদে জাজ মাল্টিমিডিয়া ও এসকে মুভিজের যৌথ প্রযোজনার ‘আশিকী’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিষেক হয় নুসরাত ফারিয়ার। অশোক পাতী ও আব্দুল আজিজ পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে অঙ্কুশ এর বিপরীতে তার অভিনয় দর্শক ও সমালোচক মহলে দারুণ সমাদৃত হয়। এই চলচ্চিত্রের জন্য দর্শক ভোটে মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার ২০১৫ এর সেরা নবাগত এর পুরস্কার ছিনিয়ে নেন নুসরাত।
চলচ্চিত্রে নুসরাতের আগমনে বেশ বড়সড় একটা চমকই ছিলো।  ২০১৫ সালে জাজ মাল্টিমিডিয়ার সঙ্গে তাদের চুক্তিবদ্ধ নায়িকা মাহিয়া মাহির সম্পর্কের আকস্মিক অবনতি ঘটার কিছুদিন পর, পাঁচ তারকা হোটেলে এক জাঁকজমক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রযোজনা সংস্থাটি তাদের নতুন নায়িকা হিসেবে নুসরাত ফারিয়া ও জলির নাম ঘোষণা করেন। যদিও, সহসা জাজ-মাহির বাঁধন যাবেনা ছিঁড়ে বলেই সবার ধারণা ছিলো। এভাবেই চলচ্চিত্রে সুযোগ পেয়ে যান নুসরাত।
নুসরাত কিন্তু তখন ক্রেডিট ট্রান্সফার করে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছিলেন, কাগজ-পত্রও রেডি ছিল। কিন্তু অ্যাঙ্কর স্টেপ নামে এক অনুষ্ঠানে তার নাচ ও চ্যানেল আইয়ের একটি লাইভ প্রোগ্রামে তার পারফর্ম্যান্স দেখে, জাজ মাল্টিমিডিয়া থেকে তাকে সিনেমা করার জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়। গায়িকা কনা তাকে সবসময় নায়িকা বলে ডাকতেন। তাই হয়তো অনেক নাটকের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেও, সিনেমা করতে রাজি হয়ে যান। আট মাস সময় নিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করেন।
যেহেতু জাজ মাল্টিমিডিয়ার সব সিনেমার নায়িকা ছিলেন মাহিয়া মাহি, তার ভক্তরা ধরে নিলো মাহির বিদায়ের জন্য নুসরাতই দায়ী। অথচ ঘটনা সম্পূর্ণ উল্টো। মাহির সাথে সম্পর্কের ক্রমাগত অবনতির সূত্র ধরেই জলি ও নুসরাতের জাজের ব্যানারে আগমন। ফলস্বরূপ মাহি ভক্তদের রোষের শিকার হলেন নুসরাত। তার সাথে যোগ দিলো আরো দুটি গ্রুপ, যারা কিনা জাজ ও যৌথ প্রযোজনার বিপক্ষে। তাই পূর্বাপর কোন অপরাধ ছাড়াই, নুসরাত ফারিয়াকে তিনটি গ্রুপের আক্রমণের তীর সহ্য করতে হচ্ছে।
এর সাথে যোগ হলো আরেকটি গ্রুপ। এমনিতেই মিডিয়াতে যারা কাজ করে, তাদের গালি দিয়ে সবাই আমোদ পায়। তার উপর বাংলা সিনেমা করলে তো সরাসরি পাঞ্চিং ব্যাগ হিসেবে তাকে ব্যবহার করা যায়। এরপর সেimage003 যদি হয় নারী এবং সুন্দরী! আর যাবে কোথায়। চালাও বাক্যবাণ! যার প্রমাণ নুসরাতের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অফিসিয়াল পেজে গেলই পাওয়া যায়। তবে, নুসরাতের আহ্লাদী ভিডিও বা জাজ মাল্টিমিডিয়াকে (Jaaz Multimedia) ঢং করে জ্যাজ (Jazz) মাল্টিমিডিয়া বলাটা যে বিরক্তির জন্ম দেয় না, এমনটা বললে মিথ্যা বলা হবে। কিন্তু সেলেব্রিটিরা তো বরাবরই ড্রামা কুইন ধাঁচের।
নুসরাত ফারিয়া প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েন, টিভির জনপ্রিয়তা বেশি ও ফলোয়ার বিষয়ক মন্তব্য করে। পুরো ইন্ডাস্ট্রীই তখন অনলাইনে-অফলাইনে ফারিয়াকে হুইল ওয়াশিং পাউডার দিয়ে ধুতে থাকেন। নিঃসন্দেহে খুবই বেফাঁস মন্তব্য আর ফারিয়া পরে এর জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন। ঐ মন্তব্যর বাস্তবতা বা যৌক্তিকতা বিচারে যাব না। অনেক নায়িকাই কিন্তু সাংবাদিকদের সাথে দুর্ব্যবহার থেকে শুরু করে আরো অনেক আপত্তিকর আচরণ করেছেন। হঠাৎ করে সকলের নয়নের আলো বনে যাওয়া “অগ্নিকন্যা”ও এই লিস্টে আছেন।
বলতে পারেন, সেসব ঘটেছে দেশের অভ্যন্তরে। আর এখানে তো অন্যদেশের মিডিয়ার সামনে বাংলাদেশকে “হেয়” করেছে সে। সবাইকে মনে করিয়ে দিতে চাই, বছরখানেক আগে বাংলাদেশের এক ব্যান্ড তারকাও কিন্তু ভারতীয় মিডিয়ার কাছে নিজের মাদক ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলাপ করেছিলেন। তখন কারও সম্মান খোয়া যায়নি আর তাকেও সবাই একহাত দেখেনি। সবচে বড় ব্যাপার, মিডিয়ার কাজই খবর বেচা। জীবিকার তাগিদে সাংবাদিকরা অনেক সময়ই স্বাভাবিক কথাকেও পেঁচিয়ে বিপণনযোগ্য করে তোলেন। আর নেতিবাচক সংবাদ যে বেশি বিকোয়, সেটা তো সর্বজনবিদিত। এই অপরাধে সদ্য নায়িকা হওয়া এক মেয়েকে সবাই যেভাবে শূলে চড়ালো, তা সত্যিই বিস্ময়কর।
আর হিরো ৪২০-এ নুসরাত যখন বলিউডের রিয়া সেনের সাথে পাল্লা দিয়ে নাচে বা অভিনয় করে, তখন তো কাউকে একটা প্রশংসার কথাও বলতে শোনা যায় না। ভদ্রতার খাতিরে এখানে পাল্লা দিয়ে বললাম, আসলে image005সেখানে রিয়া সেনের চেয়ে সব দিক থেকে নুসরাত ফারিয়ার কাজ বেটার ছিল (হতে পারে এটা আমার বায়াসড বাংলাদেশী চোখের সীমাবদ্ধতা)। হিরো ৪২০-এর প্রমোশনের সময় রিয়া সেন পদে পদে কিভাবে বাধার জন্ম দিয়েছেন, সে কথা নুসরাত নিজেই প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন। সে বেচারী কলকাতায় তো লড়াই করছেই, বাংলাদেশের অবস্থা আরো খারাপ। আমরা নিজেরাই চেষ্টা করছি তাকে টেনে নামানোর।
নুসরাত ফারিয়ার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি যে অভিযোগটা শোনা যায়, তা হলো তিনি শুধু যৌথ প্রযোজনার সিনেমা করেন। এখানে একটি ব্যাপার বলে রাখি, নুসরাতের শুরুটা কিন্তু খাঁটি বাংলাদেশী ছবি দিয়েই হতো। রেদওয়ান রনি’র মরীচিকা নামের একটি চলচ্চিত্রের জন্য তিনি কন্ট্রাক্টও সাইন করেছিলেন। যদিও ছবিটা আর শেষ পর্যন্ত হয়নি।
প্রথমত নুসরাত ফারিয়া অভিনেত্রী, প্রযোজক নন। সুতরাং প্রযোজক কার সাথে অংশীদারিত্বে যাবে, এটা কিছুতেই নুসরাত ফারিয়া ঠিক করে দিতে পারেন না। আর তিনি জাজ মাল্টিমিডিয়ার সাথে চুক্তিবদ্ধ। জাজ বর্তমানে যৌথ প্রযোজনা ব্যতীত কোন সিনেমাই বানাচ্ছে না। দ্বিতীয়ত, নুসরাত যখন অভিনয় শুরু করেছেন, তখন থেকে যৌথ প্রযোজনারও এক প্রকার জোয়ার শুরু হয়েছে। আর একসময় যৌথ প্রযোজনার জলে “নাববো না, নাববো না” ঘোষণা দিয়েও, এখন তো সবাই সেই জলেই “চান” করে আসছেন।
একটি সিনেমার পিছে কতজন মানুষের পরিশ্রম থাকে, সেটা বেশিরভাগ মানুষের জানার কথা না। কিন্তু একটা গানের জন্য কতজনের প্রয়োজন পড়ে সেটা তো অনুমান করাই যায়। একটা গানের জন্য গীতিকার, সুরকার, গায়ক-গায়িকা, কোরিগ্রাফার এদের কথা তো প্রথমাবরেই মাথাতে আসবে। এছাড়া স্পট বয়, গ্যাফার থেকে শুরু করে ক্যামেরার পিছে অন্তত কয়েকগুণ মানুষ থাকে। সর্বশেষে থাকেন প্রযোজক। যিনি কিনা অর্থ লগ্নি করেন এবং মূল কাজটিকে গ্রীনলাইট দিয়ে থাকেন। অথচ বস টু-এর “আল্লাহ মেহেরবান” গানের জন্য এককভাবে কে গালি খেয়েছেন? নুসরাত ফারিয়া। যেন নুসরাত সবাইকে নিয়ন্ত্রণ করছেন আর বাকি সবাই তার হাতের পুতুল মাত্র।
আপনি বাংলা সিনেমাকে নিয়ে হাসাহাসি করতে পছন্দ করেন? ট্রোল, মিম বানিয়ে লাইক কামাতে চান? -ঠিক আছে, চলেন নুসরাত ফারিয়াকে গালি দেই।
আপনি বাংলা সিনেমাকে ভালোবাসেন, কিন্তু জাজ মাল্টিমিডিয়াকে দেখতে পারেন না? -ঠিক আছে, চলেন নুসরাত ফারিয়াকে গালি দেই।
জাজ মাল্টিমিডিয়াকে দেখতে পারেন, কিন্তু আপনার প্রিয় নায়িকার ক্যারিয়ার নষ্ট হবার জন্য কোন আসামী দরকার? -ঠিক আছে, চলেন নুসরাত ফারিয়াকে গালি দেই।
প্রেমে ব্যর্থ? অফিসে বস গালি দেয় আর বাসায় বৌ? হাই-স্ট্যান্ডার্ডের কোন মেয়ের সাথে কথা বলা তো দূরে থাক, একটা বাংলা বাক্যও নির্ভুলভাবে লিখতে পারেন না? -ঠিক আছে, চলেন নুসরাত ফারিয়াকে গালি দেই।
ধর্ম ও সংস্কৃতি কেন ভুলুন্ঠিত তার কারণ খুঁজতে চান? -ঠিক আছে, চলেন নুসরাত ফারিয়াকে গালি দেই। আর তারপর ইন্সটাগ্রামে গিয়ে জান্নাতুল পিয়ার ছবিতেও একটা জ্বালাময়ী বক্তব্য দিয়ে আসবেন।
আপনি পশ্চিম বাংলার দর্শক? বাংলাদেশী শিল্পীদের গালি দিতে চান? খামোকা কেন খাটবেন, বস! চুপচাপ বসে খেলা দেখুন, নিজের দেশের শিল্পীকে টেনে কাদায় নামানোর জন্য আমরা নিজেরাই যথেষ্ট।
0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *