Smiley face

সাতোশি কন: দ্যা ইউনিক মাস্টারমাইন্ড

satoshikon
সাতোশি কন- যিনি হয়ত হতে পারতেন জাপানীজ অ্যানিমেশানের আরেক দিকপাল। কিন্তু সময় তাকে সেই সুযোগ দেয়নি, ৪৬ বছর বয়সেই তাকে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করতে হয়েছিল। মাত্র ১০ বছরের ফিল্মমেকিং জীবনে তিনি দারুন কিছু মাস্টারপিস আমাদের উপহার দিয়ে গেছেন, যার মধ্যে ‘পাপরিকা’ অন্যতম। এই ‘পাপরিকা’র থিম থেকে ইনস্পায়ারড হয়ে ক্রিস্টোফার নোলান ‘ইনসেপশান’ মুভিটি বানিয়েছিলেন। আজ এই মাস্টারমাইন্ডের জন্মদিন। মুখ ও মুখোশ ম্যাগাজিনের পক্ষ থেকে তাকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সুদীপ মজুমদার
সাতোশি কন ১৯৬৩ সালের ১২ই অক্টোবর জাপানের হোকায়দোতে জন্মগ্রহন করেন। ছোটবেলা থেকেই মনে মনে একজন অ্যানিমেটার হওয়ার বাসনা ছিলো। তাই পরবর্তীতে গ্রাফিক ডিজাইন নিয়ে গ্র্যাজুয়েশান শেষ করেন। কলেজে থাকতেই manga artist (কমিকস আর্টিস্ট) হিসেবে যাত্রা শুরু করেন এবং সে সময়েই ইয়ং ম্যাগাজিন আয়োজিত একটা আর্ট কম্পিটিশানে রানার-আপ হন। Manga artist হিসেবে বেশ কিছুদিন কাজ করার পর একরি অ্যানিমেশান ফিল্মে অ্যানিমেটার এবং  লেআউট আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করেন। পরবর্তীতে যথাক্রমে সুপারভাইজার আর স্ক্রিপ্টরাইটার হিসেবে এমনকি আর্ট ডিরেক্টর হিসেবেও কিছুদিন কাজ করেন। এভাবেই কেটে যায় তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলো।
পরিচালক হিসেবে তার অভিষেক হয় ১৯৯৭ সালে। Yoshikazu Takeuchi এর নভেল ‘পারফেক্ট ব্লু’ কে তিনি ফিল্মে রূপ দেন ঐ একই শিরোনামে। রিয়েল ওয়ার্ল্ড আর ইমাজিনেশানের একটি চমৎকার সংমিশ্রণ পাওয়া যায় সেই মুভিটিতে। মুভিটি মুক্তির পর ক্রিটিক্যালি বেশ অ্যাক্লেইমড হয় এবং বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে পুরষ্কৃত এবং সমাদৃত হয়। এরপর সাতোশি কন Yasutaka Tsutsui এর জনপ্রিয় নভেল পাপরিকা’কে নিয়ে মুভি বানাতে চান, কিন্তু ঐ সময় পারফেক্ট ব্লু এর ডিস্ট্রিবিউশান কোম্পানি Rex Entertainment ব্যাঙ্করাপ্ট হয়ে যায়। তাই ঐ প্রজেক্টটি ভেস্তে যায়। এরপর ২০০২ সালে মুক্তি পায় সাতোশি কনের দ্বিতীয় মুভি ‘মিলেনিয়াম অ্যাক্ট্রেস’। মুক্তির পরপরই এটি ক্রিটিক্যালি এবং ফিনানসি্য়ালি দুই ক্ষেত্রেই ব্যাপক সাফল্য পায়। ২০০৩ এ আসে ‘টোকিও গডফাদার্স’। ২০০৪ সালে সাতোশি কন ১৩ পর্বের ‘প্যারানয়া এজেন্ট’ নামের একটি টিভি সিরিজ বানান। অবশেষে ২০০৬ সালে তিনি ড্রিম প্রজেক্ট ‘পাপরিকা’ বানাতে সক্ষম হন। পাপরিকা ছিলো তার পরিচালিত সবচেয়ে বেশি ব্যবসাসফল এবং প্রশংসিত মুভি। ২০০৭ সালে চ্যানেল NHK এর আন্ডারে একটি টিভি সিরিজের জন্য কাজ করেন এবং সেই বছরই Japan Animation Creators Association (JAniCA) নামের একটি অ্যাসোসিয়েশান তৈরি করেন।
২০১০ সালে তার পরবর্তী মুভি ‘দি ড্রিম মেশিন’ এর কাজ করার সময়  ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। ডাক্তাররা তাকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন মাত্র ছয় মাসের মত সময় আছে তাঁর হাতে। এরপর কন তার জীবনের বাকি সময়টা নিজের বাসাতেই কাটিয়ে দেন। মৃত্যুর কিছুদিন আগে তিনি একটি মেসেজ কম্পোজ করে যান, যা মৃত্যুর সময় তার ব্যক্তিগত ব্লগে আপলোড করা হয়। তার মৃত্যুর ব্যাপারটা সাধারন মানুষের কাছে খুবই শকিং এবং সারপ্রাইজিং ছিলো। কারন তখনকার পাবলিক ইভেন্টগুলোতে তাকে দেখে কেউ আঁচ করতে পারেননি যে সাতোশি কন এতোটাই অসুস্থ।  ২০১০ সালের ২৪ আগষ্ট মাত্র ৪৬ বছর বয়সে টোকিওতে মৃত্যুবরন করেন তিনি।
তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো নিয়ে কিছু কথা বলা যেতে পারে-
১। পারফেক্ট ব্লু (Perfect Blue) :
perfectblueসাধারনত সাতোশি কনের মুভিগুলোর প্যাটার্নটা কিছুটা এক ধাঁচের। মিস্ট্রি থাকবে, ফ্যান্টাসি থাকবে, আর গোটা মুভিটিতে অ্যাডভেঞ্চারের বেশ ভালো একটা টাচ থাকবে, আর কল্পনা আর বাস্তবের খেলাতো থাকবেই। পারফেক্ট ব্লু ঠিক ঐ রকমই। আর কনের মুভিগুলোর রানিংটাইম খুব একটা বড় নয়। সবই ৯০ মিনিটের কাছাকাছি। এই ছোট্ট টাইম স্প্যানের তুলনায় কাহিনী বেশ ধোঁয়াটে। মুভিটিতে দেখা যায়  একজন জনপ্রিয় ইয়ং পপ স্টার মিমা তার গানের ক্যারিয়ার বিসর্জন দিয়ে অভিনয়ের জগতে প্রতিষ্ঠিত হতে চাইছে। কিন্তু সেই অভিনেত্রী হওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় এক ক্ষ্যাপাটে ভক্ত। একদিকে অভিনয় ইন্ডাষ্ট্রির হাজারো বাধা, তার জন্য ডেসপারেশান, আরেকদিকে গানের ক্যারিয়ার ছেড়ে অভিনয় জগতে আসার পিছনে মনের ভিতর বাসা বাধা সীমাহীন দ্বন্দ, সেই সাথে অভিনয়ের সেটে ঘটে যাওয়া কিছু মর্মান্তিক দূর্ঘটনা। সবমিলিয়ে কল্পনা আর বাস্তব মিলেমিশে বেশ পীড়াদায়ক হয়ে উঠে মিমার জন্য। মাঝেমাঝে নিজের অস্তিত্বে নিজেই দ্বিধাগ্রস্থ হয়ে পড়ে মিমা।
মুভিটি ১৯৯৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি রিলিজ পায়। গোটা মুভিটি বেশ কনফিউজিং। অবশ্য এই টাইপ কনফিউশান সাতোশি কনের ট্রেডমার্ক স্টাইল। রিয়েলিটি আর ইমাজিনেশানের দারুন কিছু মিক্সচার পাওয়া যায় তার প্রত্যেকটি মুভিতে। এই মুভিটিও কোনো অংশে কম নয়। পুরো মুভিটিতে অনেক জায়গায় খটকা লাগতে পারে। আসলে পরিচালকের উদ্দেশ্য ছিলো ঐরকমই। সাথে সাথে দর্শক নিজেও কনফিউজ হয়ে যাবেন। মুভিটি রানিংটাইমের অনুপাতে যথেষ্ট স্মার্ট এবং বেশ ভাবনার উদ্রেক করে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হচ্ছে, সাদামাটা প্লট দিয়ে শুরু হলেও মুভির কন্টিনিউটি খুব দ্রুতই সম্পূর্ণ অন্যদিকে মোড় নেয়। এই মুভিটির এক্সপ্ল্যানেশান নিয়েও বেশ ভালো বিতর্ক রয়েছে।
২। মিলেনিয়াম অ্যাক্ট্রেস (Millennium Actress) :
millennium-actress
এটি সাতোশি কনের নির্মিত দ্বিতীয় মুভি এবং কনের আরেকটি মাস্টারপিস। ২০০২ সালের ১৪ ডিসেম্বর জাপানে এটি মুক্তি পায়। রানিংটাইম ১ ঘন্টা ২৫ মিনিটের মত। মুভির কাহিনী গড়ে উঠে, একজন ৭০ বছর বয়সী অভিনেত্রীকে নিয়ে যিনি ছিলেন একসময়ের হার্টথ্রুব নায়িকা কিন্তু একটা সময় পর তিনি অভিনয় জগত থেকে অবসর নেন এবং পর্দার অন্তরালে চলে যান, অনেকটা সুচিত্রা সেনের মত। তিনি দীর্ঘ ৩০ বছর পর একজন টিভি ইন্টারভিউয়ার আর ক্যামেরাম্যানের কাছে তার ক্যারিয়ার নিয়ে স্মৃতিচারন করছেন। আর সেই স্মৃতিচারনের প্রকাশভঙ্গীটা খুবই অভিনব উপায়ে দেখিয়েছেন পরিচালক কন। সেসব ঘটনার মেলবন্ধনের মূলে ছিল অদ্ভূত একটি রোমান্টিক গল্প, যা মুভিটির মিস্ট্রিটাকে আরো জমিয়ে তুলে। তাছাড়া বেশ কয়েকটি জায়গায় ছোটখাটো হিউমার আর লাফটার ইন্সিডেন্ট মুভিটাকে আরো উপভোগ্য করে তোলে।
মুভিটির চালিকাশক্তি হলো, এর আউটস্ট্যান্ডিং স্টোরিটেলিং। স্মৃতিচারনের ঘটনাগুলোর একটির সাথে আরেকটির জোড়া লাগানোটা খুবই দুর্দান্ত লেভেলের। এখানেও রিয়েলিটি আর ইলিউশানের আরেকটা চমকপ্রদ মিশ্রণ চোখে পড়ে। সেসব ঘটনার মাঝে ইন্টারভিউয়ার আর ক্যামেরাম্যানের উপস্থিতি আরেকটি উল্লেখযোগ্য মাত্রা যোগ করে। দুর্দান্ত একটা সিম্বলিক দৃশ্যে দিয়ে চলচ্চিত্রটি শেষ হয়।
৩। ‘টোকিও গডফাদার্স (Tokyo Godfathers) :
animebooks-com_2268_728145555
এটি সাতোশি কনের তৃতীয় ফিচারড মুভি। এই মুভিটি তার অন্যান্য মুভিগুলোর চেয়ে বেশ খানিকটা আলাদা। কাহিনীটাও বেশ অন্যরকম। টোকিওর তিনজন উদ্বাস্তু মানুষ, যাদের জীবন কাটে রাস্তায়। হঠাত একদিন সদ্য জন্মানো একটি শিশুকে অ্যাবান্ডন অবস্থায় রাস্তায় কুড়িয়ে পায়। তারা ঠিক করে ঐ বাচ্চাটার মা-বাবাকে খুঁজে বের করবে এবং তাকে জিজ্ঞেস করবে কি কারণে ঐ নিষ্পাপ শিশুটিকে রাস্তায় ফেলে দেয়া হল। কারন তারা নিজেরা ছন্নছাড়া জীবন যাপন করে, তারা জানে এই ধরণের জীবনের জ্বালা যন্ত্রণা। ঐ শিশুটির মা-বাবাকে খুঁজতে যাওয়ার পথে আসে নানান বাধা, নানান বিপত্তি। আর এ নিয়েই গোটা মুভিটি সামনের দিকে এগিয়ে যায়।
ছবিটি ২০০৩ সালের ৮ নভেম্বর জাপানে রিলিজ হয়। রানিংটাইম প্রায় দেড় ঘন্টার মত। শুধুমাত্র ভিজ্যুয়ালীই দুর্দান্ত নয়, গোটা মুভিটি এক কথায় খুবই শক্তিশালী। পুরো মুভিটির প্লট টুইস্টগুলোতে হয়ত অনেক নাটকীয়তা রয়েছে, বিভিন্ন ঘটনার ধারাবাহিকতা দেখলে মনে হতে পারে এটি শুধুমাত্র সিনেমাতেই সম্ভব, কিন্তু তারপরও মানবীয় গুণাবলীর দারুন কিছু সমাবেশ আছে মুভিটিতে। দারুন কিছু মেসেজও রয়েছে। আর মুভির ফিনিশিংটাও চমৎকার।
এই মুভিটির বিষয়বস্তু পারফেক্ট ব্লু কিংবা মিলেনিয়াল অ্যাক্টরেসের মতো সেমি-রিয়ালিস্টিক নয়, বেশ অনেকটাই বাস্তববাদী। মানুষ হিসেবে নিজেকে অনেক স্ট্রং করে, পরিবার-ভালোবাসা-বন্ধুত্ব নিয়ে  ভাবতে শেখায়।

 

 

 

৪। পাপরিকা (Paprika):
paprika
পাপরিকা সাই-ফাই  ঘরানার মুভি,  রিলিজ হয়েছিলো ২০০৬ সালে।  মুভিটির কাহিনী বেশ জটিল। রানিংটাইম দেড় ঘন্টার মত হলেও মাথার উপর বেশ চাপ ফেলে। কাহিনী বুঝতে বেশ বেগ পেতে হয়, আর জটগুলো ভীষন কঠিন।
ছবিটি ইনসেপশান কিংবা ইটারনাল সানশাইনের সঙ্গে তুলনা করা যায় কারন সিনেমার প্লটটা স্বপ্নকে ঘিরে। ছবিতে দেখা যায় ভবিষ্যত জাপানের সবচেয়ে বড় সাইকোলজিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের সায়েন্টিস্টরা ডিসি-মিনি নামক একটি ডিভাইস আবিষ্কার করেছেন,যার মাধ্যমে অন্য কারো স্বপ্নের মাঝে ঢুকে পড়ে সেই স্বপ্নকে দেখা কিংবা ভিডিও করা যায়। এই ডিভাইসটি আবিষ্কার করার উদ্দেশ্যই ছিল সাইকিয়াট্রিস্টরা যাতে তাদের পেশেন্টদের স্বপ্নের মধ্যে ঢুকে রোগীর মানসিক সমস্যা সঠিকভাবে অনুধাবন এবং তার সমস্যার সমাধান করতে পারেন। কিন্তু বিপত্তি বাধে তখনই যখন সেই রিসার্চ সেন্টার থেকে তিনটি ডিসি মিনি ডিভাইস চুরি যায়। আর যেহেতু, ঐ ডিভাইসটির ফাংশন কিংবা প্রোগ্রাম অসম্পূর্ণ ছিলো তাই ঐ খোয়া যাওয়া ডিভাইসগুলোকে ট্রেস করা কিংবা অকেজো করার কোনো অপশন সায়েন্টিস্টদের কাছে ছিলনা। ক্রমেই ঝামেলা বাড়তে থাকে। কারন যে চুরি করেছে, সে অন্যদের স্বপ্নে হানা দিয়ে তাদেরকে ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করতে থাকে। আর এভাবেই নানান নাটকীয়তায় এগুতে থাকে কাহিনী।
সিনেমার ফ্লোটা ধরতে একটু সময় লাগতে পারে, তবে তা ধরতে পারলে বেশ উপভোগ্য। আর শেষের দিকে কাহিনীর জটও বেশ পরিষ্কার হয়ে যায়। মুভিটির অ্যানিমেশান খুবই ভালো। কিছু সিকোয়েন্স আর সেই সঙ্গে সাউন্ডট্র্যাক স্রেফ দুর্দান্ত।
মুভিটির মাধ্যমে পরিচালক যেন আমাদেরকে একটা মেসেজ দিতে চাইলেন, টেকনোলোজির এত সুদূরব্যাপী প্রসার আমাদের জীবনে যে প্রভাব ফেলছে তা ভীষণ ভাবনার বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। টেকনোলোজির সবচেয়ে বড় অসুবিধা হল,  এটা ভালো কিংবা মন্দ উভয়ক্ষেত্রেই প্রয়োগ করা যায়। ভালো কাজে যেমন আশীর্বাদ তেমনি খারাপ কাজেও তা অভিশাপ হয়ে আসতে পারে। আর তাছাড়া টেকনোলোজির ব্যাপকতা আমাদের সংবেদনশীল জায়গাগুলোতে ঢুকে পড়ছে। একটা মানুষের একান্ত ব্যাক্তিগত জিনিস হতে পারে তার স্বপ্নগুলো, সেই স্বপ্নগুলোর প্রাইভেসী যখন টেকনোলজির হাতে নিয়ন্ত্রিত হয় তখন এর চেয়ে দুর্ভাগ্যজনক আর কি হতে পারে!
সাতোশি কন একজন সত্যিকারের জিনিয়াস।একজন সত্যিকারের মাস্টারমাইন্ড। মাঝেমাঝে এই ইউনিভার্স তার মোস্ট গিফটেড ট্যালেন্টকে যাচাই করতে ব্যর্থ হয়। তাই সাতোশি কনের মত ব্রিলিয়ান্ট মাস্টারমাইন্ডকে আমরা সময়ের আগেই হারিয়ে ফেলি। সাতোশি কন আজ নেই, কিন্তু তার করে যাওয়া কাজগুলো প্রতিটি ক্ষণে আমাদের মনে করিয়ে দেয়, তার চলে যাওয়াটা আমাদের জন্য কতটা বিষাদময়, কতটা না পাওয়ার।

POST YOUR COMMENTS

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লোগো ডিজাইন - অন্তর রায়

ওয়েব ডিজাইন - এইচ ২ ও

অনলাইনে চলচ্চিত্র বিষয়ক পূর্ণাঙ্গ ম্যাগাজিন 'মুখ ও মুখোশ' । লেখা পাঠাতে ও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে মেইল করতে পারেন এই ঠিকানায়ঃ mukhomukhoshcinemagazine@gmail.com