Smiley face

অস্কার কন্ট্রোভার্সি

landscape-1452724365-2016-oscar-nominations
৮৯তম একাডেমী এওয়ার্ড সমাগত। ৮৮তম একাডেমী এওয়ার্ডে নমিনেশনে রেসিজম থেকে শুরু করে লিওর অস্কার প্রাপ্তি পর্যন্ত অনেক ঘটনাই কন্ট্রোভার্সির খাতে গড়িয়েছে। আসন্ন অস্কারকে সামনে রেখেই , একাডেমীর ইতিহাসের বহুল সমালোচিত কিছু ঘটনার দিকে আলোকপাত করছেন ওয়াসিম আকরাম।
দ্য অস্কারস – অসংখ্য আলোক ছটার এক রাত। হাজারো স্বপ্নের জন্ম, বধ, সৃষ্টি ও ধ্বংসের গল্প লেখা হয় এখানে। অনেকেরই এই অস্কারের প্রতি একাধারে ভাল এবং খারাপ ধারণা যুগপৎ বিদ্যমান। কেননা এখানে হয়ত সর্বদা সর্বোচ্চ সঠিক সিদ্ধান্তটি নেয়া হয় না, তবে বেশিরভাগ সময়ই সিদ্ধান্তটি হয় ডিসেন্ট। অবশ্যই, এমনও উদাহরণ রয়েছে, যে অস্কার বুলস-আই ডিসিশন নিয়েছে। একদম, রাইট অন দ্য নোজ। লরেন্স অফ এরাবিয়া, শিন্ডলার্স লিস্ট, কাসাব্ল্যাংকা, রিটার্ন অফ দ্য কিং – এই মাস্টারপিসগুলোর ক্ষেত্রে একাডেমীর সিদ্ধান্তের অ্যাকুরেসি তুলনাহীন। আবার এমন উদাহরণও বিদ্যমান, যে একাডেমীর সিদ্ধান্ত দর্শকের মনে প্রশ্ন জাগিয়েছে, ‘ওনারা আসলেই সবগুলো নমিনেশন দেখেছেন তো?’
১।
l1
২০০৪ – অস্কারের জন্য এক উল্লেখযোগ্য বছর। সেরা চলচ্চিত্রসহ ‘লর্ড অফ দ্য রিংসঃ রিটার্ন অফ দ্য কিং’ জিতে নিলো ১১ টি অস্কার। অনেকেই একমত হবেন, এটি ছিল একাডেমীর নেয়া সেরা সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে একটি। কিন্তু লর্ড অফ দ্য রিংসের এই চোখ ধাঁধানো সাফল্যের আড়ালে ঢাকা পড়ে গেল সোফিয়া কপোলার ‘লস্ট ইন ট্রান্সলেশন’।
যা ঐ দশকের অন্যতম সেরা মুভি। ইন ফ্যাক্ট, ‘রিটার্ন অফ দ্য কিং’ যদি ওই বছর প্রতিযোগিতায় না থাকত, তাহলে সহজেই সেরা চলচ্চিত্র এবং সেরা পরিচালকের কাতারে অস্কার জিতে নিত এটি। অথচ সোফিয়া কপোলার অস্কারজয়ী স্ক্রিপ্ট আর বিল মুরের ক্যারিয়ার সেরা পারফরম্যান্স এর কম্বিনেশন ব্যর্থ হয়েছে বিচারকদের নজর কাড়তে।
বিল মুরে তার স্বভাবসিদ্ধ কৌতুকের সাথে সাটলিটি মিশিয়ে এক অন্যরকম চারিত্রিক গভীরতা দেখিয়েছেন।  তার কাছ থেকে এ ধরণের পারফরম্যান্স আর কখনো পাওয়া যাবে কিনা জানা নেই।  সবসময়ের মত একাডেমী তাকে সেবারও খুব একটা সিরিয়াসলি নেয়নি বলেই ধারণা।
২।
l2
১৯৯৪ – বেস্ট পিকচার ক্যাটেগরিতে উঠে এসেছিল সর্বকালের সেরা কিছু মুভির নাম – ফরেস্ট গাম্প, পাল্প ফিকশন, শশ্যাংক রিডেম্পশন, ফোর ওয়েডিংস এন্ড এ ফিউনেরাল এবং কুইজ শো। আর সবাইকে হারিয়ে অস্কার জিতে নিলো হ্যাংকস অভিনীত রবার্ট জেমেকিস পরিচালিত ড্রামা – ফরেস্ট গাম্প। অবশ্যই, ফরেস্ট গাম্পের জয় কোন অতিমানবিক ঘটনা নয়, এটি সর্বকালের সেরা ড্রামাগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি নাম – কিন্তু  সে বছর অস্কারের জন্য আরেকটি সিনেমাও দাবীদার ছিল যা একটি ফিকশন, অনুপ্রাণিত করেছে পরবর্তী এক জেনারেশনের ফিল্মমেকারদের, দিয়েছে অসাধারণ কিছু প্লট এলিমেন্ট আর অসংখ্য মনে রাখার মত সংলাপ।
সেরা পিকচার হিসেবে ফরেস্ট গাম্পকে পুরষ্কৃত করাটা কমিটির ভুল সিদ্ধান্ত হয়ত নয় । কিন্তু পাল্প ফিকশনের দ্বারা টারান্টিনো হলিউডে যে সুবিশাল গ্রাউন্ড তৈরি করেছেন তা অনস্বীকার্য। সে বছর পাল্প ফিকশন নমিনেটেড হয়েছিল সাতটি ক্যাটেগরিতে, আর জিতেছিল মাত্র একটি অস্কার, স্ক্রীনপ্লের জন্য। আরো অনেক মাস্টারপিসের মতই, নমিনেশনের সময় কমিটি এটির গুরুত্ব ঠিক বুঝে উঠতে পারেননি। আজ পাল্প ফিকশনকে সর্বকালের সেরা মুভিগুলোর কাতারে ফেলা হয়।
৩।
l4
একটি মোস্ট ডিজার্ভিং মুভি অস্কার দূরে থাক, একটিও নমিনেশন পায় নি – ভাবতেই সর্বপ্রথম যে নামটি মাথায় আসে সেটি ড্যারেন এরোনোফস্কির ‘দ্য ফাউন্টেইন’। কিন্তু তারচেয়েও শকিং দুর্ঘটনা ঘটেছে ২০১২ সালে। দু;খজনকভাবে ওয়াকোস্কি ব্রাদার্স এবং টম টাইকওয়ারের এপিক মাস্টারপিস ‘ক্লাউড এটলাস’ সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে একাডেমীর নজর কাড়তে।
‘ক্লাউড এটলাস’ একটি অত্যন্ত এম্বিশাস প্রোজেক্ট। এটি এমন এক উচ্চতায় দর্শককে নিয়ে গেছে যা খুব কম মুভিতেই সম্ভব, এবং এক্ষেত্রে এটি দেখেছে সফলতার মুখ। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, মুভিটি ক্রিটিকদের কাছ থেকে পেয়েছে মিক্সড রিভিউ। কেউ কেউ এটিকে দেখেছেন একটি মাস্টারপিস হিসেবে, বাকীরা এটিকে বিশেষায়িত করছেন ‘কনফিউজিং’ হিসেবে।
এটি আসলে এক বসায় হজম করার মত মুভি নয়। শুধু দেখার জন্য দেখলে যে কেউ এটিকে ভালো বলবে, কিন্তু ভালো লাগাতে পারবে কিনা সে ব্যাপারে সন্দেহ থেকে যায়। মাল্টিপল স্টোরিলাইনস, মাল্টিপল ক্যারেক্টার প্লেয়িং, বার্থমার্কস, একের পর এক অদ্ভূত গল্প – একটু সময় নিলেই মুভিটির ব্রিলিয়ান্স ধরতে পারা যাবে।
মুভিটি মেজর/মাইনর মিলিয়ে অন্ততপক্ষে ৬ টি ক্যাটেগরিতে নমিনেশন পেতেই পারত। বোধকরি, মুভিটির কনফিউজিং স্টোরিলাইনের প্যাঁচ এড়াবার লক্ষ্যে একাডেমী ‘ক্লাউড এটলাস’কে সম্পূর্ণরূপে ইগনোর করাটাই নিরাপদ ধরে নিয়েছেন।
৪।
l5
‘আরে, ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা‘দ্য গডফাদার’ এর জন্য তো অস্কার জিতেছেনই’ – ভেবে রাখা সিনেমাখোরেরা একটু বাস্তবে আসুন। এক মিনিট সময় নিন ব্যপারটা হজম করতে। সে বছর কপোলার অসাধারণ ডিরেকশনকে পেছনে ফেলে অস্কার জিতে নিয়েছিলেন বব ফসি তার মিউজিক্যাল ড্রামা ‘ক্যাবারে’র জন্য। ক্যাবারে একটি আনপ্যারালেল মিউজিক্যাল, সন্দেহ নেই। কিন্তু ডিরেকশনের দিক থেকে তুলনা করলে গডফাদারের সাথে এর কোনই তুলনা চলে না।
ঘটলো টা কি তাহলে? হতে পারে, একাডেমী মিউজিক্যালের প্রতি ভালবাসা থেকে নস্টালজিক হয়েই ক্যাবারে কে বেস্ট ডিরেক্টরের পুরষ্কারটি দিয়ে অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করছিল। কিন্তু গডফাদারের শক্তিশালী মেকিংকে ইগনর করবার কোন পথ না পেয়েই স্প্লিট করে সেরা মুভি হিসেবে পুরষ্কৃত করতেই হয়েছে। কিন্তু ভাবতে মজাই লাগে, ক্যাবারে এখন কোথায়?
আরো শকিং ব্যাপার হচ্ছে, সর্বকালের সেরা এই ক্রাইম ড্রামাটি সেবার অস্কার জিতেছিলো মোট তিনটি ক্যাটেগরিতে। বেস্ট ডিরেক্টরের পাশাপাশি এটি তিনটি নমিনেশন পাওয়া স্বত্বেও ব্যর্থ হয়েছে সাপোর্টিং এক্টর ক্যাটেগরিতে পুরষ্কার বাগাতে। এছাড়াও, সিনেম্যাটোগ্রাফী এবং সেট ডিরেকশনেও কোন অস্কার জেতেনি দ্য গডফাদার – চিন্তা করা যায়?
৫।
l7
২০১০ – কালের স্বাক্ষী। ওভাররেটেড ওভারহাইপড ‘দ্য হার্ট লকার’ এর জয়জয়কার চারদিকে। অস্কারের রাতে এটিই যে বেস্ট পিকচারের পুরষ্কারটি ঘরে তুলবে তা সবার জানা হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। প্রায় সবার আকাঙ্ক্ষা, ইতিহাসে প্রথমবারের মত একজন নারী ফিল্মমেকার সেরা ডিরেক্টরের পুরষ্কার তুলে নেবে। তবে এদের মধ্যে বেশ কয়েক মুভিপাগলা অবশ্যই ছিলেন, যারা আল্লাহ্‌-আল্লাহ্‌ করছিলেন, যেন কোয়েন্টিন টারান্টিনো পরিচালিত ‘ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডস’ অন্তত সেরা অরিজিনাল স্ক্রীণপ্লের পুরষ্কারটি জেতে।
কিন্তু ‘দ্য হার্ট লকার’ এর ভোঁতা, সহজে অনুমেয়, এলিমেন্টবিহীন স্ক্রিপ্ট হারিয়ে দিল গত দশকের সেরা স্ক্রিপ্টকে। এর ব্যাখ্যাও সহজ, হয়ত ওনাদের মনে হয়েছিল, মুভি হিসেবে হার্ট লকার বেটার ছিল, তাই স্ক্রিপ্টের দিক থেকে একে পুরষ্কৃত না করলে কিছুটা অবিচারই হবে।
আরো দুর্ভাগ্যের ব্যাপার হচ্ছে, সর্বমোট আটটি নমিনেশন পাওয়া ‘ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডস’ জিতেছে মাত্র একটি ক্যাটেগরিতে। ক্রিস্টোফার ওয়াল্টজ অসাধারণ পারফর্ম করে নিজের প্রাপ্য সম্মানটি পেলেও বঞ্চিত হয়েছেন মুভিটির এডিটর, সিনেম্যাটোগ্রাফার এবং আর্ট ডিরেক্টর।
‘দ্য হার্ট লকার’ ভাল মুভি, সন্দেহ নেই, কিন্তু টারান্টিনোর এই ওয়ার্ল্ড ওয়ার ক্ল্যাসিক প্রোজেক্ট এর থ্রিলিং প্লট এবং অসাধারণ ডায়ালগের জন্য সবার হৃদয়ে অক্ষয় হয়ে থাকবে। আর ‘হার্ট লকার’? এটিকে সবাইইই মনে রাখবে, তবে শুধুই প্রথম অস্কারজয়ী নারী ডিরেক্টরের জন্য।
৬।
l6
আমেরিকান একাডেমী ইতিহাসের সবচাইতে বড় গলদের জন্ম দিয়েছিল মার্টিন স্করসেইজির ‘গুডফেলাস’ কে ইগনোর করে। সে বছর সেরা পিকচারের পুরষ্কারটি তুলে নিয়েছিলো কেভিন কস্টনারের ‘ড্যান্সেস উইথ উল্ভস’ – একজন মানুষের গল্প, যে কিনা নেটিভ আমেরিকানদের কাছাকাছি গিয়ে তাদের জীবনে জড়িয়ে গিয়েছে। অথচ স্করসেইজির হাইলি ফিলোসোফিক্যাল মবস্টার ড্রামা, যা ফিল্মমেকিংয়ে নতুন প্ল্যাটফর্মের জন্ম দিয়েছে, সেই মুভিটিকে একাডেমী অনার করেছে শুধুমাত্র সাপোর্টিং এক্টর ক্যাটেগরিতে জো পেস্কিকে পুরষ্কৃত করে।
ব্রিটিশ একাডেমী এই ভুল করেনি। তারা ‘গুডফেলাস’-কে সম্মানিত করেছে বেস্ট ফিল্ম, বেস্ট ডিরেক্টর এবং বেস্ট এডাপ্টেড স্ক্রীণপ্লের ক্যাটেগরিতে।
তাহলে কিভাবে এই গলদটি ঘটল? একাডেমী সাধারণত সেসব মুভিকেই ইগনোর করে যেগুলো তাদের হজমে সমস্যার সৃষ্টি করে। আর এজন্যেই আজ ‘গুডফেলাস’ সাইট এন্ড সাউন্ড পোলে ক্রিটিকস #১৭১ এবং ডিরেক্টরস #৪৮ পজিশনে অবস্থান করছে, যেখানে ‘ড্যান্সেস উইথ উলভস’ সম্পূর্ণ অনুপস্থিত।
৭।
RteDVtYToanKWjL1WiBs_YqnNacjJBWm_640x360_53967939936
২০০৫ - পূর্বপুরুষ ২০০৪ এর মতই এই বছরটি অস্কারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৪ এ নেয়া অসাধারণ কিছু সিদ্ধান্তের সাথেই ব্যালেন্স রাখার নিমিত্তে একাডেমী এ বছরটিতে ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে।
২০০৫ এর অস্কার শুরুতে এতটা খারাপ ছিল না। কেট ব্ল্যানচেট ‘দ্য এভিয়েটর’ এর জন্য বেস্ট সাপোর্টিং এক্ট্রেস এবং বেস্ট অরিজিনাল স্ক্রীণপ্লের জন্য বিখ্যাত ‘এটারনাল সানশাইন অফ দ্য স্পটলেস মাইন্ড’ পুরষ্কৃত হয়েছিল। ঘটনা খারাপের দিকে মোড় নিলো, যখন মরগ্যান ফ্রিম্যান ‘মিলিয় ডলার বেবি’র জন্য বেস্ট সাপোর্টিং এক্টরের পুরষ্কারখানা বাগালেন।
একাডেমী বোধহয় ফিল করছিল, যেহেতু ‘ড্রাইভিং মিস ডেইজি’র জন্য ওনাকে অস্কার দেয়া হয়নি, তো ‘মিলিয়ন ডলার বেবি’তে সেটা পুষিয়ে দিলে দোষ কি? মরগ্যান ফ্রিম্যান এমন একজন মানুষ, তিনি আজ পর্যন্ত যাই করেছেন, তার সবই মোটামুটি দুর্দান্ত। কিন্তু ‘মিলিয়ন ডলার বেবি’তে তার রোল তুলনামূলক ওনার পারফরম্যান্স বারের অনেক নিচে ছিল। এখানে বেসিক্যালি তিনি ক্লিন্ট ইস্টউডের মত নিচু গলায় গর্জন ছাড়া দেখার মত আর কিছুই করেননি। এর চাইতে বরং ‘দ্য এভিয়েটর’ এ এলান অলডার অস্কারটি ওই ক্যাটেগরিতে অনেক বেশী ডিজার্ভিং ছিল।
বেস্ট এক্ট্রেস ক্যাটেগরিতে হিলারি সোয়াংকের জয় নিয়ে খুব বেশী সমালোচনার অবকাশ থাকত না, যদি না সে বছর কেট উইন্সলেট ‘এটারনাল সানশাইন অফ দ্য স্পটলেস মাইন্ড’এ আউটস্ট্যান্ডিং পারফরম্যান্স না দেখাতেন। বেস্ট ডিরেক্টর ক্যাটেগরিতে ক্লিন্ট ইস্টউডের পারফরম্যান্স নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই – মার্টিন স্করসেইজির সাথে সে বছর বেশ একটা হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখেছি আমরা। কিন্তু বেস্ট পিকচার? মিলিয়ন ডলার বেবি?? সিরিয়াসলি?
একটি আন্ডারডগ বক্সিং ড্রামা, মেলোড্রামা ও আনবিলিভেবল আবেগে ভরপুর– যেখানে ‘দ্য এভিয়েটর’ এবং ‘এটারনাল সানশাইন অফ দ্য স্পটলেস মাইন্ড’ এর মত মুভি লড়াই করছে। একাডেমীর এই অদ্ভূত পছন্দের আসলে কোন ব্যাখ্যা নেই। তারা সিমপ্লি পণ করেছিল, ২০০৫ কে অস্কারের ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে বছরে পরিণত করার, দ্যাটস ইট!
এভাবেই যুগে যুগে একাডেমী ভুল করেছে, ভুল করছে এবং করে যাবে – কারণ একাডেমী আসলে কোন অলিখিত বাইবেল নয়। তারা মানুষ, ভুল তাদের হবেই, এবং আমরাও তাদের ভাল ডিসিশনগুলোর দিকে তাকিয়ে বাজে সিদ্ধান্তগুলোকে ক্ষমা করে দেব ও দিতে থাকব – যতদিন পর্যন্ত না ওনারা দ্য লিজেন্ড অফ হারকিউলিস টাইপ মুভিকে বেস্ট পিকচার এবং জোশ ব্রলিনের মত এক্টরকে সেরা অভিনেতার পুরষ্কার ধরিয়ে দেবার ভুল না করে।
 
লেখক পরিচিতি :
ফার্মাসির ছাত্র ওয়াসিম আকরামের কাছে সময় কাটানোর আদর্শ দাওয়াই হলো বন্ধুদের সাথে আড্ডাবাজি আর মুভি গেলা। সিনেমার ক্ষেত্রে তার সবচে ভালো লাগে ড্রামা আর সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। তবে পর্দাটা আরেকটু ছোট হলে, মানে টিভিতে আসলে সেটা হয়ে যায় ফ্যান্টাসি। সোজা কথায় গেম অফ থ্রোনস। কলম বা কি-বোর্ড ধরলে স্যাটায়ার লিখতেই বেশি ভালো লাগে তার।
অস্কার ট্রিভিয়াঃ
নারীদের মাঝে মেরিল স্ট্রিপ সর্বোচ্চ রেকর্ডসংখ্যক ২০ বার নমিনেশন পেয়েছেন। আর পুরুষদের মাঝে জ্যাক নিকলসন। মোট ১২ বার।

 

POST YOUR COMMENTS

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লোগো ডিজাইন - অন্তর রায়

ওয়েব ডিজাইন - এইচ ২ ও

অনলাইনে চলচ্চিত্র বিষয়ক পূর্ণাঙ্গ ম্যাগাজিন 'মুখ ও মুখোশ' । লেখা পাঠাতে ও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে মেইল করতে পারেন এই ঠিকানায়ঃ mukhomukhoshcinemagazine@gmail.com