Smiley face

অস্কারের সাতকাহন

the-oscars-thumbnail
অস্কারের অজানা গল্প শোনাচ্ছেন আব্দুল্লাহ আল-মানী
অস্কার পুরস্কার নিয়ে চলচ্চিত্র অনুরাগীদের মধ্যে উৎসাহের শেষ নেই। কোন বছর কোন ছবিটি অস্কার পাবে, কে সেরা অভিনেতা, অভিনেত্রী হবেন তা নিয়ে সারা বিশ্বেই চলচ্চিত্র মহলে অনেক জল্পনা-কল্পনা চলে। ‘অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস’ বা ‘অস্কার’ পৃথিবীর সবচেয়ে মর্যাদাকর চলচ্চিত্র পুরস্কার। প্রথম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড প্রদানের অনুষ্ঠান হয় ১৬ মে ১৯২৯ সালে হলিউডের রুজভেল্ট হোটেলে। ১৯২৯ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী চলচ্চিত্রের বিভিন্ন শাখায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য এই পুরস্কার দেয়া হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার্সের ৫ হাজার ৫০০ সদস্য নিজেদের ভোটের মাধ্যমে এই মর্যাদার পুরস্কার বিজয়ীদের মনোনীত করে থাকেন। প্রায় ২৪টি ক্যাটাগরিতে অস্কার পুরস্কার দেয়া হয়। প্রতিটি ক্যাটাগরির জন্য পাঁচজন করে প্রার্থী মনোনীত করেন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার্সের সদস্যরা। এদের মধ্য থেকে একজনকে চূড়ান্তভাবে অস্কার পুরস্কারের জন্য নির্বাচন করা হয়। যদিও অস্কারের ইতিহাস আরো পুরানো। ১৯২০ সালের শেষের দিকে প্রতি বছর প্রায় ৫০০টির মত ফিচার লেংথ ফিল্ম তৈরি হচ্ছিলো হলিউডে যা চলচ্চিত্রকে পরিণত করেছিল আমেরিকার চার নম্বর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। সে সময়ে সান্তা মনিকায় নিজ বাসভবনে এক নৈশভোজের সময় MGM (Metro-Goldwin-Mayer)এর প্রধান Louis B. Mayer এর ভাবছিলেন চলচ্চিত্রের জন্য পুরষ্কার প্রদানের চিন্তাটি। তিনি বলেছিলেন,
“I found that the best way to handle filmmaker was to hang medals all over them … If I got them cups and awards they’d kill them to produce what I wanted. That’s why the Academy Award was created.
নৈশভোজে উপস্থিত আরো তিনজন বিখ্যাত ব্যক্তি।পরিচালক Fred Niblo,প্রযোজক Fred Beetsonএবং অভিনেতা Conrad Nagelএই চিন্তাকে সমর্থন করেন। চারজন মিলে একটি প্রতিষ্ঠান গঠনের সিদ্ধান্ত নেন যেটা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির কাজকর্ম তদারকি করতে সক্ষম হবে। ফলশ্রুতিতে ১৯২৭ সালের ৪ মে “The International Academy of Motion Picture Arts and Sciences”জন্মলাভ করে। পরবর্তীতে Internationalশব্দটি বাদ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি The Academy of Motion Picture Arts and Sciencesওরফে AMPASনামধারণ করে। এই অ্যাকাডেমিই আয়োজন করে থাকে বার্ষিক অস্কার অনুষ্ঠান।
অস্কার পুরস্কারের নাম ‘অস্কার’ কেন সে ইতিহাস অনেকেই জানেন না। ৩৪ সে.মি. লম্বা গোল্ড প্লেটেড পুরুষ মূর্তিটির নাম ‘অস্কার’ কীভাবে হলো তার রয়েছে এক মজার কাহিনী। ১৯২৭ সালের মে মাসে প্রতিষ্ঠিত হয় দ্য অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সাইন্সেস। চলচ্চিত্রশিল্পের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য এই অ্যাকাডেমি পুরস্কার প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। তাছাড়া পুরস্কারের জন্য একটি ক্রেস্ট বা মূর্তি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সোনায় মোড়া একটি পুরুষ মূর্তি, হাতে একটি তলোয়ার, মূর্তিটি দাঁড়িয়ে আছে একটি ফিল্ম রোলের উপর।তখন অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড হিসাবেই এটি পরিচিতি ছিল। ১৯৩১ সাল পর্যন্ত ‘অস্কার’ নাম হয়নি। ১৯৩১ সালে অ্যাকাডেমির লাইব্রেরিয়ান মার্গারেট হেরিক একদিন মূর্তিটি দেখে বলে ওঠেন, ‘আরে, এটা দেখতে তো একদম আমার চাচা অস্কারের মতো!’। অস্কার নামটি খুব ভালো লেগে যায় অ্যাকাডেমি কর্তৃপক্ষের। তখন থেকেই স্ট্যাচুটির নাম হয়ে যায় ‘অস্কার’।
বিখ্যাত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এমজিএম-এর শিল্প নির্দেশক সেডরিক গিবসন অস্কার পদকের নকশা করেন। লস এঞ্জেলেসের ভাস্কর জর্জ স্ট্যানলি এই নকশা অবলম্বনে ত্রিমাত্রিক ট্রফি নির্মাণ করেন। সাড়ে ১৩ ইঞ্চি উচ্চতার এই পদকটির ওজন সাড়ে আট পাউন্ড। ব্রোঞ্জের এই পদকটি ২৪ ক্যারেটের সোনায় মোড়ানো।শুধু সোনার দিয়ে আবরণ দিয়ে তৈরী করা হয়েছে। একটি ট্রোফি তৈরি করতে কত সময় লাগে১২ থেকে ১৪ ঘন্টাএবং ট্রোফি তৈরি করতে ৫ শ' মার্কিন ডলার লাগে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল তা সব হাতের তৈরি, কোনো মেশিন ব্যবহার করে নাএবং ১৫টি পর্যায়ের মাধ্যমে তৈরী করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ধাতুর সরবরাহ কমে যাওয়াও তিন বছর অস্কার পদকটি রঙ করা প্লাস্টারে বানানো হয়। যুদ্ধ শেষে অবশ্য এই পদকগুলো ফেরত নিয়ে নতুন করে ধাতু ও সোনায় মোড়ানো পদক দেয়।
গত ৮৮ বছর ধরে এই পুরস্কার বিশ্বের চলচ্চিত্র প্রেমী ও কর্মীদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয়, লোভনীয় এবং বিতর্কিত পুরস্কার হিসাবে আলোচনার শীর্ষে রয়ে গেছে।অস্কারের সূচনা সময়মাত্র ২৭২ জন লোক নিয়ে ১৯২৯ সালের ১৬ মে রুজভেল্ট হোটেলে এ পুরস্কারের সূচনা হয়েছিল। প্রথম বছরে পুরস্করপ্রাপ্তদের তিন মাস আগেই জানিয়ে দেয়া হয়েছিল, ফলে মূল অনুষ্ঠানে কোন চমক ছিল না, স্রেফ আনুষ্ঠানিকতা ছিল। পরের বছর থেকে একাডেমি সিদ্ধান্ত নেয়, কোন পুরস্কার প্রাপ্তকে আগে থেকে জানানো হবে না, তবে ওই দিন সকালেই পত্রিকাগুলোকে জানিয়ে দেয়া হতো। ১৯৪০ সালে লস এঞ্জেলস টাইমস বিকালের সংস্করণে পুরস্কার প্রাপ্তদের নাম ছেপে দেয়। এর ফলে ১৯৪১ সাল থেকে আগেভাগে কাউকেই পুরস্কার প্রাপ্তদের নাম আর জানানো হয় না। ১৯৪১ সাল থেকেই নিয়ম করা হয়, মূল অনুষ্ঠান চলাকালে খাম খুললেই কেবলমাত্র জানানো যাবে কে পুরস্কার পেয়েছে। আজ পর্যন্ত সেই খাম খোলার চমক অটুট রয়েছে।
প্রথম এবং দ্বিতীয় আসরে ১৫ টি পুরষ্কার দেয়া হয়েছিলো।প্রথম সেরা অভিনেতার পুরষ্কার টি জেতার গৈরব অর্জন করেছিলেন জার্মান অভিনেতা Emil Jannings।যদিও ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে উনি অনুষ্ঠানে থাকতে পারেন নি এবং বিশেষ অনরোধে তারঁ পুরষ্কার টি অনুষ্ঠানের আগেই তার হাতে তুলে দেওয়া হয়।
প্রথম আসরের সফলতার পর থেকেই ধীরে ধীরে এই উদ্যোগের সুনাম বাড়তে থাকে এবং Los Angeles radio station এগিয়ে আসে অনুষ্ঠানটির রেডিও পার্টনার হিসেবে।পরে ১৯৫৩ সালে প্রথম অস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান টি টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার ( সাদা কালো)করা হলেও রংগীন ছবিতে সম্প্রচার লাখো লাখো মানুষ সরাসরি উপভোগ করে ১৯৬৬ সালে।বর্তমানে ২০০ টির ও বেশী দেশের মানুষ এই অনুষ্ঠান সরাসরি টেলিভিশনের পর্দায় উপভোগ করতে পারে।বর্তমানে এই সম্প্রচার সত্বটি এবিসি টিভির দখলে।
অস্কারের মজার কিছু ঘটনাঃ
১৯২৯ সালে প্রথম শুরু হওয়া এই অস্কার দেয়ার যাত্রা এখনো অবিরত চলছে। অস্কার শুধু সিনেমা কলাকুশলীকেই দেয়া হয়, অর্থাৎ যারা সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ তাদেরই। ১৯২৯ সালে সেরা অভিনেতার তালিকায় যার অস্কার পাওয়ার কথা ছিল সে কোন দুই পা ওয়ালা মানুষ নয়। সেটি ছিল একটি ‘কুকুর’। ‘রিন টিন টিন’ নামের এই রাশিয়া কুকুরটি তার জীবনে ২৩ টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছে। প্রথমবার অস্কার দেয়ার বছরই অস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিল।সেই সময়ে সেরা অভিনেতার পুরস্কার কাকে দেয়া হবে এর জন্য ভোট নেওয়া হয় এবং সবচেয়ে বেশি ভোট অর্জন করে নেয় এই কুকুরটি। কিন্তু অস্কার কমিটি কুকুরটিকে পুরস্কার প্রদান করেনি। কমিটি চাইলে পুরষ্কার দিতে পারতো, কমিটির কোনো কোনো সদস্যের ইচ্ছাও ছিল তাকে দেবার। কিন্তু পুরষ্কারের ভবিষ্যৎনিয়েচিন্তাকরেশেষমেশদেয়াহয়নি।মজার ব্যাপার হচ্ছে ‘দ্য আর্টিস্ট’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করা কুকুরটিকেও অস্কার পুরস্কার দেবার জন্য বেশ গুঞ্জন উঠেছিল। বিশ্ববিখ্যাত পত্রিকা ইন্ডিপেনডেন্টে বলা হয়েছিল- যদি কোনো চার পা ওয়ালা প্রাণীকে অস্কার পুরস্কার দেয়া হয় তাহলে সেটি অবশ্যই অর্জন করে নিবে দ্য আর্টিস্ট-এর কুকুর চরিত্র উগি।উল্লেখ্য ‘রিন টিন টিন’ এতটাই বিখ্যাত ছিল যে ১৯৩২ সালে যখন এর মৃত্যু হয় তখন সারাদেশে শোক নেমে আসে। এমনকি রাষ্ট্রীয়ভাবেই শোক পালন করা হয়।
১৯৩৪ সালের কথা। সপ্তম অস্কার পুরস্কার অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী ক্লাউডিট কোলবার্ট 'ইট হ্যাপেন্ড অয়ান নাইট ছবিতে চমৎকার অভিনয়ের কারণে সে বছরের সেরা অভিনেত্রী পুরস্কার পেয়েছেন। যখন তিনি পুরস্কার গ্রহণ করতে যান, তখন তিনি কোনো ফরমাল এ্যাটায়ার পরেননি এবং কোনো প্রসাধনও ব্যবহার করেন নি। কারণ তিনি মনে করেছিলেন পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাবনা তাঁর নেই। যখন পুরস্কার অনুষ্ঠানে তাঁর নাম ঘোষণা করে, তখনতিনি রেলস্টেশনে। তাই তিনি ভ্রমণের কাপড় পরেই পুরস্কার গ্রহণ করেছিলেন।
অস্কারের ইতিহাসে এমন একজন আছেন, যাকে পুরস্কার পাওয়ার পর পরই আনন্দ উদযাপন করার পরিবর্তে কারাগারে যেতে হয়েছে। ১৯৮২ সালের অস্কার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে ইজ্বিগনিও রিবিস্কি নামে একজন ডিরেক্টর শ্রেষ্ঠ শর্ট ফিল্মের পুরস্কার পায়। অনুষ্ঠান চলাকালে তিনি থিয়েটারের বাইরে একটি সিগারেট খেয়ে একটু বিশ্রাম নিতে চাইলে, অপরিচিত নিরাপত্তা রক্ষী কর্মী তাকে থিয়েটারে সিগারেট না খাওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু রিবিস্কি বললেন: আমি এ মাত্রই অস্কার পুরস্কার পেয়েছি, আর এখনই ভিতরে যাবো। তবুও ওই নিরাপত্তা কর্মী তাকে সিগারেট খাওয়ার অনুমতি দেয় না। এরপর সেই ডিরেক্টর রাগ হয়ে কর্মীকে মেরে বসেন, আর এ করণে তাকে কারাগারে দেয়া হয়েছে।
২০১৭ সালের অস্কার মনোনয়নে এমন একজনকে সেরা অভিনেতা হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে, যাকে ‘সেরা অভিনেতা’ ও ‘সেরা অভিনেত্রী’- দুই বিভাগেই মনোনীত করতে বাধ্য হয়েছে অস্কার কমিটি।কেলি ম্যান্টেল নামের এই অভিনেতা একযোগে মনোনীত হয়েছেন সেরা অভিনেতা ও সেরা অভিনেত্রী বিভাগে। ‘কনফেশনস অব আ উওম্যানাইজার’ নামের এক কমেডি ছবিতে তিনি অভিনয় করেছেন এক রূপান্তরকামী যৌনকর্মীর ভূমিকায়। মিগুয়েল আলি পরিচালিত এই ছবিকে সিনেমার ইতিহাসে নতুন নজির হিসেবে বর্ণনা করছেন অনেক সমালোচক।ম্যান্টেল জন্মগতভাবে পুরুষ। কিন্তু ৯০ দশক থেকে তিনি সিনেমা এবং থিয়েটারে নারী-ভূমিকায় অভিনয় করে আসছেন। তার এই কাহিনি মনে করিয়ে দিচ্ছে ১৯৮২ সালের ব্লকবাস্টার ছবি ‘টুটসি’র কথা, যেখানে ডাস্টিন হফম্যান এমনই এক চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।
অস্কার অনুষ্ঠান তিনবার স্থগিত হয়। প্রথমবার, ১৯৩৮ সালে লস এ্যাঞ্জেলেসে ব্যাপক বন্যা হয়, এ কারণে সে বছরের অস্কার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান স্থগিত হয়। দ্বিতীয় বার, ১৯৬৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত নেতা মার্টিন লুথার কিং এর মৃত্যু হয় এবং তাঁর শেষকৃত্যানুষ্ঠানটি ছিল ঐ বছরের অস্কার অনুষ্ঠানের ঠিক একই দিনে। এ মহাবীরকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সে বছরের অস্কার অনুষ্ঠানটি স্থগিত করা হয়। আবার ১৯৮১ সালের ৩০ মার্চ মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট রিগেন আততায়ী দ্বারা আক্রান্ত (বুকে গুলি লাগলেও বেঁচে যান) হলে সে বছরের অস্কার পুরস্কার প্রদানও স্থগিত হয়।
লেখক পরিচিতি:
আব্দুল্লাহ আল-মানী মাস্টার্স করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পরিসংখ্যানে বিভাগে। সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি এবং যে কোন ভাষার থ্রিলার মুভি তার প্রিয়। বই পড়তে ও সফট মেলোডির গান শুনতে ভালো লাগে। রিয়াল মাদ্রিদের একজন কট্টর সমর্থক। মুভি নিয়ে লেখালেখি করতে ভালোবাসেন। এছাড়া টুকটাক কবিতা ও গল্প লিখেন। তবে সবগুলো কাজ ফেসবুকেই সীমাবদ্ধ।
অস্কার ট্রিভিয়াঃ
Gone with the Wind ১৯৪০ সালে সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে অস্কার জয় করা সিনেমা। সিনেমাটির দৈর্ঘ্য ছিলো ২৩৪ মিনিট। অস্কারজয়ী সিনেমাগুলোর মাঝে সবচেয়ে লম্বা রানিং টাইমের সিনেমা এটি।

1 Comment

  1. kazi mahpara pritom
     /  Reply

    তথ্যপূর্ণ মজার একটি লেখা।অভিনন্দন লেখককে।

POST YOUR COMMENTS

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লোগো ডিজাইন - অন্তর রায়

ওয়েব ডিজাইন - এইচ ২ ও

অনলাইনে চলচ্চিত্র বিষয়ক পূর্ণাঙ্গ ম্যাগাজিন 'মুখ ও মুখোশ' । লেখা পাঠাতে ও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে মেইল করতে পারেন এই ঠিকানায়ঃ mukhomukhoshcinemagazine@gmail.com