Smiley face

আমি আর রোজী

malek_rosy
মালেক আফসারী
এটা একটা ভালোবাসার গল্প হলেও, শুরু করছি একটু আগে থেকে। এতে করে পুরান ঢাকার অচেনা এক যুবক কিভাবে “পরিচালক মালেক আফসারী” হয়ে ওঠলো, তা বুঝতে পাঠকদের সুবিধা হবে। আমার জন্ম নোয়াখালীতে হলেও, আমি পুরান ঢাকার ছেলে। ছয় মাস বয়সে মায়ের সাথে ঢাকায় আসি, সেখানেই বড় হয়েছি। একসময় স্কুলের গন্ডি পেরোলাম, ভর্তি হলাম তিতুমীর কলেজে। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার বয়স ছিলো তের বছর। আজকে যেখানে আড়ং, সেখানে আমি একসময় হাজারখানেক মানুষের লাশ পড়ে থাকতে দেখেছি। সুতরাং দেশকে ভালোবাসতাম, বঙ্গবন্ধু ছাড়া কিছুই বুঝতাম না। কলেজ জীবনে তাই ছাত্রলীগে যোগ দিলাম।
নাটক করতাম, ড্রামা সার্কেলের ছাত্র ছিলাম। ড্রামা সার্কেলের সাথে যুক্ত ছিলেন শ্রদ্ধেয় আনোয়ার হোসেন, বুলবুল আহমেদ, সৈয়দ হাসান ইমাম। আমাদের শিক্ষক ছিলেন বজলু ভাই (এ.কে.এম বজলুল করিম)। দান্তের মৃত্যু নাটকে অভিনয় করার সুযোগ আসলো অনেকটা হঠাৎ করেই। সৈয়দ হাসান ইমাম নাটকটা ছেড়ে “লাল সবুজের পালা” সিনেমাটি পরিচালনা করতে গেলেন। আমি ছিলাম তার আন্ডারস্টাডি। ফলে আমি চরিত্রটি করার সুযোগ পেয়ে গেলাম অতি অল্প বয়সেই। প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টার নাটকটি মঞ্চস্থ হয়েছিল মহিলা সমিতিতে। এরপর বনফুলের কবয় নাটকেও অভিনয় করি। আমার চরিত্রটি ছিল নরসুন্দরের। পচাত্তরে বঙ্গবন্ধু নিহত হলেন, শুরু হলো ব্যাপক ধর-পাকড়। আমি তখন ছবিও আঁকতাম। একদিন আমি আর আমার বন্ধু মিলে বসে বসে ছবি আঁকছিলাম। হঠাৎ খবর এলো পুলিশ এসেছে। গ্রেফতারের ভয়ে পালিয়ে গেলাম গ্রামে। কিন্তু গ্রামে একদমই মন বসতো না। তাই কিছুদিন পরে আবার ঢাকায় ফিরে এলাম। উঠলাম এক বন্ধুর বাসায়।
ছোট বেলা থেকেই স্কুল পালিয়ে এফ.ডি.সি-তে শ্যুটিং দেখতে আসতাম। আবার আসতে শুরু করলাম এখানে, গেটে দাঁড়িয়ে থাকতাম। এফ.ডি.সি-তে যদি আমার কোন গডফাদার থেকে থাকেন, তিনি হলেন কাদের দারোয়ান। এই গুম্ফধারী গেটম্যানকে দশটা গোল্ডলিফ সিগারেট দিলেই সে আমাকে ঢুকতে দিত। পয়সা বাঁচানোর জন্য মহাখালী থেকে রেললাইন ধরে হেঁটে আসতাম, আর ফেরার সময় ফার্মগেট থেকে শেয়ারে রিকশা নিতাম। গ্রেফতারের ভয়ে ক্যাম্পাসে যেতে পারছিনা। তাই এফ.ডি.সি-কে আমার খুব নিরাপদ একটা জায়গা বলে মনে হতো, আশ্রয় নিলাম এখানে। পরিচালক হাফিজুর রহমান ভাইয়ের সহায়তায় একটা সিনেমায় কাজ করার সুযোগ পেলাম। ছবির নাম পিয়াসী মন, হিরো আনোয়ার হোসেন। ২ মাস ১১ দিনের মাথায় ছবির শ্যুটিং বন্ধ হয়ে গেলো। জানা গেলো, শ্যুটিং ইউনিটটা ছিল ধাপ্পাবাজ। তারা নেগেটিভ ছাড়াই শ্যুটিং করে প্রডিউসারের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছিল। প্রডিউসার শফি ভাইয়ের (মোহাম্মদ শফিউদ্দিন) কাছে আমি দুই মাসের বেতন বাবদ ১২০০ টাকা পেতাম। সেই জন্যে তার সাথে দেখা করেছিলাম। উনি বললেন, আরেকজন ডিরেক্টর খুঁজে দিতে। আমি তাকে নিয়ে গেলাম ফখরুল হাসান বৈরাগীর কাছে। তার পরিচালিত সেয়ানা ছবিটা ভালো লেগেছিল। জন্ম হলো মাসুদ কথাচিত্রের। এই মাসুদ কথাচিত্র পরবর্তীতে ৬৪টা ছবি প্রযোজনা করেছিল। আজ পর্যন্ত সেই রেকর্ড কেউ ভাঙতে পারেনি। এই ব্যানারের অধীনে আমি কাজ শিখতে আরম্ভ করলাম।
বৈরাগী ভাইয়ের “কার পাপে” ছবিটা ফ্লপ গেল। এটার সংলাপ আমার লেখা ছিল। সংলাপ রচনার পাশাপাশি প্রম্পটার হিসেবেও কাজ করতে লাগলাম। আমি নাটকের ছেলে ছিলাম তো, তাই সংলাপ রচনা ও প্রম্পটিঙের সময় জন্য নাটকের ব্যাকগ্রাউন্ড আমার প্লাস পয়েন্ট হয়ে দাঁড়ালো। আমি হয়ে গেলাম সেকেন্ড অ্যাসিসট্যান্ট ডিরেক্টর। এই ছবিটা ফ্লপ যাওয়ায়, আমরা ঠিক করলাম একটা কস্টিউম ছবি (পিরিয়ড ড্রামা) বানাবো। তখন কস্টিউম ছবির খুব চল ছিলো। রাজমহল নামে সে ছবিতে হিরো হিসেবে নেওয়া হলো ওয়াসিমকে। নায়িকা হিসেবে নিতে চাইলাম রোজিনাকে। রোজিনা তখনও রেনু, মানে তার আসল নামেই পরিচিত ছিলেন। পরিচালক মোহসীন অবশ্য তার নাম পাল্টে রেখেছিলেন শায়লা। এই নামে তিনি কিছু ছবিও করেছেন। ওয়াসিম প্রথমে রাজি হচ্ছিলেন না। কারণ রোজিনা তখন “মায়া” (মায়া বড়ি) নামের জন্ম নিরোধক পিলের একটা বিজ্ঞাপন করেছিলেন। এই ব্যাপারগুলো তখন সোশ্যাল ট্যাবু ছিলো।

রোজিনাকে নেওয়ার কারণটা ব্যাখ্যা করি। রোজিনাকে এর আগে আরেকজন পরিচালক তার ছবির জন্য কাস্ট করেছিলেন (সঙ্গত কারণেই নাম উল্লেখ করছিনা)। মূল নায়িকা রোজিনা হিসেবে সেটা হতো তার প্রথম সিনেমা। কিন্তু তাকে মেক-আপ করিয়ে সারাদিন বসিয়ে রেখে, পরে অন্য নায়িকা নেওয়া হয়েছিল। কারণ পরিচালকের তাকে ভালো লাগেনি, “মেয়েটি নাকি অনেক কালো”। ফিরোজ মামা নামে একজন স্টিল ফটোগ্রাফার কিছু ছবি দেখে আমার মনে হয়েছিলো, মাস পিপল রোজিনাকে পছন্দ করবে। আর মায়া বড়ির বিজ্ঞাপনটা উল্টো আরও অ্যাপীল বাড়াবে। ছবিটা সুপার-ডুপার হিট হলো আর মাসুদ কথাচিত্রও স্ট্যাবলিশড হয়ে গেল। এই ব্যানারের ত্রিশটা ছবিতে আমি চিফ অ্যাসিসট্যান্ট ডিরেক্টর ছিলাম। এরপর ১৯৮৩ এসে শফি ভাই আমাকে বললেন, “আর কত কাজ শিখবেন! আপনি ডাইরেক্টর হবেন না?” আমি বললাম, “হুঁ, আমার ডিরেক্টর হওয়া এখন খুবই জরুরী হয়ে পড়সে”। কারণ ইন্ডাস্ট্রীর একজন অ্যাসিসট্যান্ট ডিরেক্টরের সাথে আরেক অভিনেত্রীর প্রেমের গসিপ তখন চিত্রালী, পূর্বাণী, বিচিত্রা পত্রিকায় নিয়মিত আসছিল।

Malek-Afsari-with-Film-actress-Rozy-Afsari

ছোটবেলা থেকেই প্রচুর সিনেমা দেখতাম। আমার মায়ের সাথে বসেও বহু সিনেমা দেখেছি। সিনেমা দেখতে দেখতে রোজী নামের ভয়াবহ রূপবতী এক তরুণীর প্রেমে পড়ে গেলাম। ‘৭৩ সালে মুক্তি পেল তিতাস একটি নদীর নাম। গুলিস্তান হলে এই সিনেমাটি আমি ছয়বার দেখেছি। এই সিনেমাতেও সেই তরুণীটি ছিল। আমার প্রেম বাড়লো বৈ কমলো না। তারপর এফ.ডি.সি-তে এসে পর্দার ভালোবাসার মানুষটাকে প্রথমবারের মতো সামনাসামনি দেখলাম। আরেক নজর দেখার আসায় আমি তার সেটের পাশ দিয়ে হাঁটাহাঁটি করতাম।
বিনি সুতার মালা সিনেমার ঘটনা। সিনেমাটির গল্প গাজী মাজহারুল আনোয়ার সাহেবের লেখা, গীতিকারও ছিলেন তিনি। আমি তখন চিফ অ্যাসিসট্যান্ট ডিরেক্টর, আউটডোরে শুটিঙ হচ্ছে। শুটিঙের সময় গর্তে পা বেধে রোজী পড়ে যাচ্ছিলো। আমি শটের মধ্যে ঢুকে তাকে ধরে ফেলি। সেখান থেকে সখ্যতার শুরু, তারপর সেটা প্রেমে পরিণত হলো। এমন কোন দিন নাই সে আমার সাথে দেখা করতো না বা কথা বলতো না। আমরা ফোনে অনেক কথা বলতাম। এক মুঠো বাঘ মার্কা সিকি নিয়ে বসতাম, তিন মিনিট পর পর সিকি দিতে হতো। জুলফূ (জুলফিকার আলী জুলফু) নামে এক ছেলের দায়িত্ব ছিল, সিকি যোগাড় করে রাখা। ও পরে আমার (এই ঘর এই সংসার সহ) অনেকগুলো ছবির প্রোডাকশন ম্যানেজার ছিল। এভাবে ঘন্টার ঘন্টা ফোনে বলতাম। এমনকি একবার জার্মানি গিয়েছিল, সেখান থেকেও রোজী প্রতিদিন এক ঘন্টা-দু ঘন্টা কথা বলতো।
রোজীর সাথে আমার সম্পর্কটা প্রথমে সবাই মেনে নিতে চায়নি। রোজী ছিল অনেক বড় পরিবারের মেয়ে। পুরানা পল্টনে সাত বিঘা জমি নিয়ে ওদের বাড়ি ছিল। শত্রুরও অভাব 13346931_595341197313758_7595354996865377369_nছিলো না। আমাকে মারার জন্য লোকে ড্যাগার নিয়ে আমাকে ফলো করতো। কিন্তু বিয়ের পর সব ঠিক হয়ে গেল। অনেক বড় একটা পরিবার পেলাম, তাদের ভালোবাসা পেলাম। কারণ রোজীকে আমি সত্যিই ভালোবাসতাম। রোজী যেহেতু অনেক সুন্দরী, ওর চাহনেওয়ালার অভাব ছিলো না। কিন্তু কেউ পেরে ওঠেনি, কারণ আমি ছিনিয়ে নিতে জানি। আমি হার মানার লোক না-হোক সেটা কাজের ক্ষেত্র কিংবা প্রেমের ময়দান।
রোজীও দেয়ালের মতো সামনে দাঁড়িয়ে আমাকে রক্ষা করতো। একটি বিখ্যাত ছবির শুটিঙের ঘটনা বলি। আলমগীর, সোহেল রানা, ফারুখকে নিয়ে মাল্টিস্টারার ছবি। ডিরেক্টর ছিলেন এ জে মিন্টু তার অ্যাসিস্ট্যান্ট শাহ আলম কিরণ। তো আমার আর রোজী’র প্রেমের গুজবে চারদিক তখন মুখরিত। আমি তখনও একজন অ্যাসিসট্যান্ট ডিরেক্টর। ঐদিন সম্ভবত ক্লাইম্যাক্সের শুটিং চলছিলো। “ব” অদ্যাক্ষরের এক বিখ্যাত নায়িকা সবার সামনে কিরণকে ডেকে বললেন, “কিরণ সাহেব, আপনি তো চিফ অ্যাসিসট্যান্ট ডিরেক্টর। আমি আপনার সাথে প্রেম করবো।” রোজী খোঁচাটা বুঝলো। সে নায়িকাকে come with me বলে মেক-আপ রুমে ডেকে নিয়ে গেল (এখানে বলে রাখি, রোজী ক্যাম্ব্রিজের আন্ডারে ‘এ লেভেল” করেছিল। বাংলা ততটা পড়তে পারতো না)। সেখানে কি হলো, খোদা জানে! ওখান থেকে নায়িকা সরাসরি হাসপাতালে, ছয়দিন সেই সিনেমার শুটিং বন্ধ ছিল। আমি তখন খোকা ভাইয়ের সাথে বসে কাজ করছি, পরিচালক স্বপন চৌধুরীও মনে হয় পাশে ছিলেন। আমার কাছে খবর এলো, ম্যাডাম আপনাকে ডাকে। আমি বললাম, কোন ম্যাডাম? জবাব এলো, ভাবী (ইন্ডাস্ট্রীতে ওর আরেকটা নাম ছিলো ভাবী)। আমি চার নম্বর ফ্লোরে গিয়ে দেখি হুলস্থুল কান্ড, সাংবাদিকও চলে এসেছে। রোজী আমাকে ডাক দিয়ে গাড়িতে উঠতে বললো (আমাদের ছয় বছরের সম্পর্কে এই প্রথম সে আমার সাথে পাবলিকলি কথা বললো)। গাড়ি স্টার্ট দিয়ে ডিরেক্টরকে বললো, মেজর (পরিচালক এ জে মিন্টুকে ইন্ডাস্ট্রীর সবাই মেজর বলে ডাকতো), আপনার নায়িকা সুস্থ হওয়ার পর আমাকে কল দিয়েন। শুটিং শেষ করতে হবে।
এরপর থেকে রোজী সবার সমানেই আমার সাথে কথা বলতো। একসময় ঠিক করলাম পরিচালনা শুরু করবো, রোজীও সায় দিলো। আমি ৮৩ সালে বিগ কাস্ট জসিম, শাবানা, আলমগীর (আলমগীরের সাথে আমার সিনেমায় আসার আগে থেকেই পরিচয় ছিলো) নিয়ে বানালাম ঘরের বউ। ছবিটা সুপার হিট হলো। এরপর আমাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আমার মূল শক্তি ছিল রোজী। আমি যেখান থেকে আজকের অবস্থানে এসেছি, রোজী না থাকলে সম্ভব হতো না। কারণ 13406821_598659606981917_3210091688906354213_nপেশাদারিত্ব, দায়িত্ববোধ, আত্ন-সম্মানবোধ সব রোজীর কাছ থেকেই শেখা। একবার দেখি রোজী গাড়ি থামিয়ে এক লোককে পিটাচ্ছে। খুব সম্ভবত ওকে চোখ মেরেছিল বা বাজে কোন মন্তব্য করেছিল। খুব ডানপিটে ছিল রোজী। নিজেই গাড়ি ড্রাইভ করতো, সাইকেল-হোন্ডা চালাতে জানতো, ঘোড়ায় চড়তে জানতো, গাছেও চড়তে পারতো। শুধুমাত্র প্লেন আর হেলিকপ্টারই মনে হয় বাদ ছিল। আমাদের ৩৩ বছরের পরিচয়ে কখনো দেখলাম না ও কারো বদনাম করছে। বরং আমি কারো সমালোচনা করতে গেলে, আমাকে থামিয়ে দিত। দেশ-বিদেশ ঘুরতে খুব ভালোবাসতো। আমাদের বিয়ের পরের দিনেই আমরা গিয়েছিলাম ইউকে-তে। সেখান থেকে সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, জার্মানি। আমার কিন্তু ইন্ডিয়া বাদে আর কোন জায়গার ভিসা ছিলো না। সে আগে থেকেই কিভাবে যেন সব ম্যানেজ করে রেখেছিলো।
যদিও বিয়ের জন্য সে এত সহজে রাজী হয়নি। বিয়ে করবো কিনা জানতে চাইলে, রোজী মাথা নাড়তো। এর পেছনে কারণ ছিল। ওর একটা টিউমার অপারেশন হয়েছিল। আমিই ছোটাছুটি করে রক্ত যোগাড় করেছিলাম। পরিবার অন্য কাউকে বলা হয়নি। কারণ আমাদের সম্পর্ক নিয়ে ওর ফ্যামিলিতে তখন বেশ ঝামেলা চলছিলো। এই অপারেশনের পর ডাক্তার জানালো, রোজী আর কখনো মা হতে পারবে না। এটা জানার পর থেকে রোজী বিয়ে করতে চাইতো না। সিচুয়েশনটা পাল্টে গেল একটা ফোন কলে। কৃষক পত্রিকার মজুমদার সাহেব একদিন ফোন করে জানতে চাইলো, “ভাবী ডিভোর্স হয়েছে পাঁচ-ছয় বছর হলো। বিয়ে করবেন না?” এটা শুনে রোজী অনেক রেগে গেল। তার সাথে এক চোট ঝগড়াও করলো। তারপর রোজী সিদ্ধান্ত নিলো বিয়ে করার। সৌভাগ্যক্রমে ডাক্তারের কথার উল্টোটাই হলো। আমাদের একটা ছেলে জন্মালো-রবি আফসারী।

 

 (অনুলিখনঃ স্নিগ্ধ রহমান)

Trivia

About

POST YOUR COMMENTS

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লোগো ডিজাইন - অন্তর রায়

ওয়েব ডিজাইন - এইচ ২ ও

অনলাইনে চলচ্চিত্র বিষয়ক পূর্ণাঙ্গ ম্যাগাজিন 'মুখ ও মুখোশ' । লেখা পাঠাতে ও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে মেইল করতে পারেন এই ঠিকানায়ঃ mukhomukhoshcinemagazine@gmail.com