Smiley face

নদীপারের কথা – হালদা

হালদা-ছবির-পোস্টার
তুহিন তালুকদার
নব্বই দশক থেকে বাংলা নাটকে তৌকির আহমেদ একটি জনপ্রিয় নাম। ছোট পর্দায় বড় নাম তৈরি করে অনেকেই ছোট পর্দার নির্মাতা হয়েছেন। আবার কেউ বড় পর্দার অভিনেতা হয়ে সেখানেও সুনাম কুড়িয়েছেন। কিন্তু ছোট পর্দায় অসীম জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর অপেক্ষাকৃত জর্জরিত বড় পর্দার ইণ্ডাস্ট্রিতে নির্মাতা হওয়া, তাতে চমক লাগানো স্বাক্ষর রাখা – এ অর্জন তৌকির আহমেদ ছাড়া আর কার আছে? তার পরিচালিত ‘হালদা’ এ বছরের সিনেমায় একটি বড় আকর্ষণ। ইতোপূর্বে তিনি জয়যাত্রা, রূপকথার গল্প, দারুচিনি দ্বীপ, অজ্ঞাতনামা নির্মাণ করে বাংলাদেশের সিনেমায় তার অপরিহার্য অবস্থানটি তৈরি করে ফেলেছেন। তার প্রতিটি সিনেমাই ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটে নির্মিত। এবার নির্মাণ করলেন প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতামূলক সিনেমা – ‘হালদা’। নদীপারের জীবন নিয়ে সিনেমা আগেও হয়েছে। তবে তাতে মুখ্য ছিল মানুষের জীবন সংগ্রাম। ‘হালদা’য় তার সাথে যুক্ত হয়েছে নদী বাঁচানোর দাবি।
চট্টগ্রামের নদী হালদা অন্য যেকোন নদী থেকে আলাদা। এটি পৃথিবীর একমাত্র মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন কেন্দ্র। মাছেরা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সময়ে হালদায় ডিম ছাড়তে আসে। পূর্ণিমা বা অমাবস্যার রাতে প্রচণ্ড বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সময় মা মাছ ডিম ছাড়ে। এই বৃষ্টিপাত শুধু স্থানীয় ভাবে হলেই যথেষ্ট নয়, তা নদীর উজানেও হতে হয়। ফলে নদীতে ঢলের সৃষ্টি হয়। নদীর পানি ঢলের কারণে ঘোলা হয়ে যায় এবং স্রোত বেড়ে যায়। মা মাছ এ ধরণের পরিবেশে প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু ডিম ছাড়ে। যদি পরিবেশ অনুকূল না থাকে, তাহলে মা মাছ নিজের শরীরেই ডিম নষ্ট করে ফেলে। আর অনুকূল বুঝতে পারলে সব ডিমই নদীতে ছেড়ে দেয়। সেই ডিম থেকে মাছ হয়। এছাড়া জেলেরা নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করেও বাণিজ্যিকভাবে হ্যাচারিতে বিক্রি করেন। তাই হালদা নদী মাছের চাহিদা পূরণের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
‘হালদা’ সিনেমার প্রথম দৃশ্যটি শুরু হয়, মাঝ সমুদ্রে ভোরবেলা জেলে নৌকায় জলদস্যুদের হানার মাধ্যমে। নদী দূষণের কারণে জেলেরা নদীতে মাছ না পেয়ে সমুদ্রে যেতে বাধ্য হয়। এই সুযোগে জলদস্যুরা জেলেদের নৌকা আক্রমণ করে আটক রেখে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করে। এই দৃশ্যের অংশবিশেষ ট্রেলারেও ছিল। দৃশ্যটির  চিত্রায়ন মোটেও সহজ ছিল না, বোঝা যায়। তার সাথে আবহ সঙ্গীতের ব্যবহার খুব সহজেই কাহিনীর ভেতরে প্রবেশ করিয়ে ফেলে।
‘হালদা’র গল্পটি লিখেছেন আজাদ বুলবুল। হালদার জেলেদের জীবন সম্পর্কে সম্যক ধারণা এবং মমতা দুইই তার কাজের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে। গল্পটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নানা দিক পরিবর্তন করে এগিয়ে গিয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত কিছু কাঙ্খিত পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গেছে। কিন্তু এই প্রাপ্তির বিনিময়ে বলিদানও নিতান্ত কম নয়, ঠিক বাস্তব জীবনে যা ঘটে। গল্পের কয়েকটি মোড়ে ঘটনা পরম্পরা বুঝতে একটু বেগ পেতে হয়েছে।

c5a3f665f0d1914087b4e9e1404e8ec6-59f73bbdd455d

গল্পে হালদা পাড়ের মানুষের জীবন, জীবিকা ও সংস্কৃতির চিত্রায়ন বিশ্বাসযোগ্যভাবে ফুটে উঠেছে। বলি খেলা, হালদায় নৌকা বাইচ, জেলেসমাজে বিয়ের অনুষ্ঠান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যের সাথে কিছুটা পরিচয় করিয়ে দেয়। সমুদ্রের জেলে নৌকা তৈরির একটি দৃশ্যও ‘হালদা’য় ছিল। হালদার জেলেরা দৈন্যের দায়ে মা মাছ শিকার করলে পরে অন্তর্দহনে জ্বলতে থাকেন। তাদের কাছে, মা মাছ মারা মহাপাপ। দুঃস্বপ্নে সেই দৃশ্য তাদের হানা দিতে থাকে। হালদা অনুর্বরা হওয়ায় অনেক জেলেকে পেশাবদল করতে হয়েছে। জমি বিক্রি করে অন্য কিছু শুরু করতে হয়েছে। আবার প্রভাবশালীরা ঘুষ দিয়ে কীভাবে হালদাকে দূষিত করার লাইসেন্স কিনে নেয়, জলদস্যুরা কীভাবে প্রভাবশালী লোক ও রাজনৈতিক কর্তাদের আশ্রয়ে অপরাধ করে যায় সেটাও দেখানো হয়েছে।
সিনেমায় হালদা নদী রক্ষার বেশ কিছু কর্মকাণ্ড দেখানো হয়েছে। সাধারণ মানুষদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কবিগানের প্রচার খুব অভাবনীয় ধারণা। গানে গানে জানানো হচ্ছে, কারখানা আর ইটের ভাটার দূষণের ফলে নদী হারাবে মাছ, জেলে হারাবে জীবিকা আর হালদার মানুষ হারাবে মা। পরিবেশের ক্ষতি করে যে প্রগতি, তাকে বর্জনের জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে। অপরিকল্পিত উন্নয়ন বাদ দিয়ে টেকসই উন্নয়নের (Sustainable Development) যে আলোচনা বিশ্বজুড়ে হচ্ছে, স্থানীয় কবিগানের মধ্য দিয়ে সেকথাগুলোই সহজ করে বলা হয়েছে।
‘হালদা’য় মোটের উপরে সবার অভিনয় ভালো হয়েছে। তবে পরিচালক স্থানীয় চট্টগ্রামের ভাষায় সংলাপ রেখে একটি বড় চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন। সব অভিনেতা সমানভাবে চট্টগ্রামের ভাষা এবং এ্যাকসেণ্ট বা প্রস্বন আয়ত্ত করতে পারেন নি, যা স্থানে স্থানে খুব কানে লেগেছে। তবে বোধগম্য করে রাখার জন্যও অনেকক্ষেত্রে শুদ্ধ চট্টগ্রামীর সাথে আপোষ করতে হয়েছে। অভিনেতারা অন্তত চট্টগ্রামের প্রস্বন আয়ত্তে আরেকটু সময় ব্যয় করতে পারতেন।
সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, তিশা, মোশাররফ করিম, জাহিদ হাসান, রুনা খান, দিলারা জামান। ফজলুর রহমান বাবুর অভিনয় কখনো নিরাশ করে না, এখানেও করেনি। জেলে চরিত্রে তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ মানিয়ে নিয়েছেন। অনেক দৃশ্যে বিভিন্নভাবে তিনি মাছ ধরেছেন এবং পেশাদারী জেলের দক্ষতাই তার মধ্যে দেখা গেছে। চট্টগ্রামের ভাষার এ্যাকসেণ্টও তিনি অন্য সবার চেয়ে ভালোভাবে আয়ত্ত করেছেন। মোশাররফ করিমও তার চরিত্রটির সফল রূপায়ন করেছেন। নিরীহ মানুষটি প্রকৃতির বৈরিতা, ভাগ্যের বিড়ম্বনা সব কিছু সত্তেও বিনা অভিযোগে টিকে ছিল। প্রেয়সী হাসুকে সবকিছু সত্ত্বেও বলেছিল, স্বপ্ন দেখা না ভুলতে। এই মানুষটিই পরে সাহসী হয়ে হাসুকে নিয়ে পালায় এবং শত প্রতিকূলতার মধ্যেও টিকে থাকে। চট্টগ্রামের ভাষা মোশাররফ করিমও ভালই আয়ত্ত করেছেন, তবে আরও ভালো হওয়ার সুযোগ ছিল।
তিশা অভিনীত হাসু চরিত্রটি সিনেমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। হাসু গ্রামের জেলে পরিবারের সাধারণ মেয়ে। পিতার ঋণের দায়ে তাকে বড় ঘরে বিয়ে করতে হয় এবং শারীরিক মানসিক উভয় ধরণের অত্যাচার সহ্য করতে হয়। কিন্তু তার প্রতিবাদী হয়ে ওঠাটি খুব হঠাৎ করেই হয়ে যায়। এটা ক্রমপরিবর্তন হিসেবে দেখালে ভালো হত। হালদা নদী এবং হাসু চরিত্রটি মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। হাসু যেন হালদার মানুষ সংস্করণ। মানুষের যথেচ্ছ অপব্যবহারে হালদা দূষিত এবং অনুর্বরা হয়ে গিয়েছিল। মাছেরা ডিম ছাড়া বন্ধ করে দিয়েছিল। তেমনি মানসিক যাতনায় হাসুও বিষণ্ণ এবং অনুর্বরা হয়ে গিয়েছিল। হালদা যেমন সময়ে সময়ে তার উপর অন্যায় অবিচারের প্রতিশোধ নিয়েছিল, হাসুও একসময় জেগে উঠেছিল, তার প্রতি অন্যায়কারীদের উপরে প্রতিশোধ নিয়েছিল। তবে হাসু চরিত্র রূপায়নকারী তিশার ভাষা চট্টগ্রামের মত তো হয়ই নি, স্থানে স্থানে বরং নোয়াখালির মত হয়ে গিয়েছিল।
জাহিদ হাসান অভিনীত নাদের চৌধুরী চরিত্রটি ক্ষমতার অপব্যবহার, নারী নির্যাতন নানাধরণের গুণের অধিকারী। সিনেমায় নির্যাতিত অবস্থানে ছিল হাসু এবং হালদা উভয়েই। আর জাহিদ হাসান অভিনীত নাদের চৌধুরী চরিত্রটি হাসুর নির্যাতনকারী এবং হালদার দূষকশ্রেণীর প্রতিনিধি। জাহিদ হাসান খারাপ চরিত্রটির ভালো রূপায়ন করেছেন। দর্শকরা চরিত্রটি ঘৃণা করার যথেষ্ট উপাদান পাবেন। তবে চট্টগ্রামের ভাষা আয়ত্তে জাহিদ হাসান সম্পূর্ণ অপারগ প্রতিপন্ন হয়েছেন। দিলারা জামানও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে ছিলেন, যার রূপায়ন চমৎকার হলেও ভাষার জায়গাটি একইরকম দুর্বল রয়ে গেছে।

HAAL-BG20171105163923

সিনেমাটির সংলাপ এবং চিত্রনাট্য লিখেছেন তৌকির আহমেদ নিজে। সম্ভবত অন্য কেউ চট্টগ্রামের ভাষায় তৌকিরের সংলাপ পুনর্নির্মাণ করেছেন। সংলাপ খুব সুচিন্তিত লেগেছে। অনেক সংলাপ খুব গভীর চিন্তাসম্পন্ন হলেও এমনভাবে লৌকিক ভাষায় নির্মিত হয়েছে যে তা স্থানীয় মানুষের মুখে বেমানান লাগে নি। এক অংশের সংলাপ ছিল – শয়তান মানুষের মধ্যে বাস করে, আবার বিধাতাও করেন। অন্য অংশে রুনা খান জাহিদ হাসানকে বিয়ের রাতে বলছেন, ‘বিলাই ন মারিবান ফইলা রাতিয়া’, যার মানে, ‘বিড়াল মারবেন না প্রথম রাতে?’ বদি এবং হাসুর রোমাণ্টিক সংলাপ বিনিময় খুব শক্তিশালী ছিল। দৃশ্যগুলোও সুনির্মিত। অনেক দর্শকেরই প্রেয়সীকে নিয়ে সমাজ থেকে দূরে গিয়ে বদি এবং হাসুর মত নির্জন দ্বীপে বসবাসের সাধ জাগতে পারে।
‘হালদা’য় আমাদের সমাজে নারীর অবস্থানের বিষয়টি খুব চমৎকারভাবে উঠে এসেছে। নারী যেন প্রজননযন্ত্র। দরিদ্র ঘরের মেয়েকে পরিবারের ঋণের দায়মুক্তির জন্য অনিচ্ছাসত্ত্বেও বিয়ে করতে হয় ধনী পরিবারে। সংসারে তার কাছে থেকে প্রত্যাশা শুধু সন্তানের। সন্তান জন্ম দিতে না পারার দায়ও শুধু নারীর একার। আবার গর্ভসঞ্চারের সাথে সাথে সংসারে, সমাজে নারীর অবস্থান শক্ত হয়ে যায়। নাদের চৌধুরীর দ্বিতীয় স্ত্রী গর্ভবতী হলে নিঃসন্তান প্রথম স্ত্রী বলে, সংসারে তার অবস্থান এখন কাজের মহিলাটির চেয়েও নিচে। রুনা খান অভিনীত চরিত্রটি এক জায়গায় উচ্চারণ করে, ধনী লোকেরা গরিব ঘরের সুন্দরী মেয়ে বিয়ে করে দুটো কারণে – তারা পরীর মত থাকে এবং দাসী বাঁদীর মত সেবাও করে। দিলারা জামান অভিনীত চরিত্রটি মৃত্যু পূর্ববর্তীকালে মুমূর্ষু অবস্থায় বলেন, কেউ তার নামটি মনে রাখে নি। কারও মা হয়ে, কারও বউ হয়ে, কারও কন্যা হয়ে তিনি জীবনটা পার করে দিলেন। মৃত্যুর পূর্বে কারও মুখে নিজের নামটি শোনার ইচ্ছে প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর একটি সুন্দর নাম ছিল – ‘সুরত বানু’। হাসু তাঁকে নাম ধরে ডাকে। সুরত বানু অনেকদিন পর নিজের নামটি শুনতে পেয়ে আবেগতাড়িত হন।
সিনেমার ক্যামেরার কাজ কিছু কিছু জায়গায় অভাবনীয় হয়েছে। গল্পের অনেকাংশ রাতে ধারণ করা, কিছু অংশ ভোর রাতে, কিছু অংশ মাঝ নদীতে এবং মাঝ সমুদ্রেও ধারণ করা। রাতে নদীর বুকে বৃষ্টির দৃশ্য, সন্ধ্যা শেষের মেঘের দৃশ্য স্বপ্নের মত সুন্দর করে ধারণ করা হয়েছে। বর্ষার রাতে কালো আকাশকে চিরে চারদিক আলোকিত করা সাদা বিদ্যুতের রেখা ধারণ করার জন্য কতদিন অপেক্ষা করতে হয়েছিল কে জানে? ঝড় বৃষ্টির রাতে উত্তাল হালদার রূপটি ভয়ঙ্কর, আবার শান্ত সময়ে অনাবিল। কেবল সুন্দর দৃশ্যই নয়, ইটের ভাটার ছাই, বর্জ্য হালদায় ফেলে যে দূষণ হয়, এবং তাতে হালদা যে অসুন্দর কৃষ্ণবর্ণ ধারণ করে সেটারও চিত্রায়নও ছিল। বোধ করি, হালদা পাড়ের সত্যিকার বর্জ্য নিষ্কাশন নলগুলোই ধারণ করে দেখানো হয়েছে। ভোর রাতের আলো আঁধারিতে কোচ দিয়ে মাছ ধরার একটি দৃশ্যও খুব বাস্তবসম্মত ছিল।
সিনেমায় সেট অসাধারণ হয়েছে। জেলেদের ঘরবাড়ি, ইটের ভাটা, নদী,সমুদ্র নৌকা অনেক কিছুই কাহিনীর প্রয়োজনে দেখাতে হয়েছে। প্রতিটি দৃশ্যই বাস্তবভাবেই দেখানো হয়েছে। যে দৃশ্য যেখানে ধারণ করা প্রয়োজন সেখানেই ধারণ করা হয়েছে।মাঝ সমুদ্রে জলদস্যুদের ডাকাতির দৃশ্যটি খুবই বাস্তব লেগেছে।
সিনেমায় সঙ্গীতের কাজ করেছেন পিণ্টু ঘোষ। ডাকাতির দৃশ্যে তিনি ভালই আবহ সঙ্গীত ব্যবহার করেছেন। গ্রামোফোনে বাজানো গানগুলোও চমৎকারভাবে নির্বাচন করা হয়েছে। সিনেমার গানগুলো মোটামুটি বলা যায়, কোনটাই খুব স্মরণীয় হবে না। ‘চঅনা গম গম লার’ গানে চট্টগ্রামের ভাষার ব্যবহার দর্শককে চমকে দেয়।
‘হালদা’ বাংলাদেশের মানুষের জীবন, জীবিকা, সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্বশীল চলচ্চিত্র, আবার একই সাথে এটা সচেতনতামূলক। সিনেমাপ্রেমীরা এতে ভালোলাগার অসংখ্য উপাদান পাবেন। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ব্যাপারে ‘হালদা’ আমাদের আশাবাদী হতে উৎসাহ দেয়। সিনেমাটি দেশে এবং দেশের বাইরে মুক্তি পেয়েছে। উভয় প্ল্যাটফর্মে সিনেমাটি সফল হবে এবং এর মাধ্যমে অনেকে বাংলাদেশের সিনেমা সম্পর্কে জানতে পারবে – এটাই আমাদের বিশ্বাস।

POST YOUR COMMENTS

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লোগো ডিজাইন - অন্তর রায়

ওয়েব ডিজাইন - এইচ ২ ও

অনলাইনে চলচ্চিত্র বিষয়ক পূর্ণাঙ্গ ম্যাগাজিন 'মুখ ও মুখোশ' । লেখা পাঠাতে ও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে মেইল করতে পারেন এই ঠিকানায়ঃ mukhomukhoshcinemagazine@gmail.com