joker_poster_crop

জোকার চরিত্রটি বুঝতে আতস কাঁচ নিয়ে বসেছেন জামাল উদ্দিন আদনান

 

ইন্টারনেটে অনেকেই হয়তো একটা মিম দেখেছেন যেখানে লেখা ছিলো – “Childhood is when you idolize Batman, Adulthood is when you realize that the Joker makes more sense”। ক্রিস্টোফার নোলানের The Dark Knight এর আগে হয়তো কেউই ব্যাটম্যন বা যে কোনো সুপারহিরো মুভি দেখে এমনটা কখনো ভাবেনি যে সিনেমার ভিলেনই বোধ হয় আসলে হিরো (অ্যান্টি-হিরো যাকে বলে আর কি!)। জ্যাক নিকলসনের মতন অভিনেতাও এর আগে জোকার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন এবং জনপ্রিয়তাও পেয়েছিলেন। কিন্তু হিথ লেজার, যাকে জোকার চরিত্রের জন্যে মনোনীত করায় অনেকেই হেসেছিলো, তাঁর অভিনয় জোকারকে পরিণত করেছে সর্বকালের সেরা অ্যান্টি-হিরোর চরিত্রে। হিথ লেজারের ভয়ঙ্কর এক্সপ্রেশন আর ডেলিভারিগুলো বাদ দিয়ে ৫ মিনিট চোখ বন্ধ করে একবার ভাবুনতো ডার্ক নাইট সিনেমাটি কেমন হতে পারে? আর দশটা সুপারহিরো মুভি, যেখানে ভিলেন ঝামেলা পাকায় করে আর নায়ক উড়ে এসে ভিলেনকে কুপোকাত করে, “অতঃপর তারা সুখে শান্তিতে বসবাস করতে লাগিলো” – মার্কা বোরিং এন্ডিং বাদে কিছু কি মনে করতে পারেন? মনে হয় সম্ভব না। তাই বহুবার এই ছবি দেখার পরেও মনে হয় আরো অনেক কিছুই লুকিয়ে রেখেছেন ক্রিস্টোফার আর তাঁর চিত্রনাট্যকার ভাই জোনাথন। সম্প্রতি প্রকাশিত অ্যামেরিকার বিখ্যাত স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান প্যাটন অসওয়াল্টের এই সংক্রান্ত একটা থিওরি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে, সাথে লেখকের নিজস্ব কিছু ব্যাখ্যা আলোচনা করে জোকার চরিত্রটার বিশ্লেষণ করা হবে এই লেখায়।

 

ওয়াল স্ট্রিট আর ব্যাংকারদের বিরুদ্ধে অনেক অ্যামেরিকান ক্ষোভ পোষণ করেন। ডার্ক নাইট সিনেমার শুরুটাই হয় একটা ব্যাঙ্ক ডাকাতি দিয়ে। একটা দৃশ্যে ব্যাঙ্ক ম্যানেজার অস্ত্র হাতে নিয়ে বেপরোয়া গোলাগুলি করতে করতে ডাকাতদের উদ্দেশ্যে বলে – “কোথায় চুরি করতে এসেছ তা সম্বন্ধে ধারণা আছে?”। নোলান যেন কটাক্ষ করলেন ব্যাংকিং সিস্টেমকে। কিংবা আরেকটা দৃশ্যে ভল্ট ভাঙ্গতে থাকা ডাকাত যখন বলে – “এই ব্যাঙ্ক দেখি তাদের ভল্ট পাঁচ হাজার ওয়াটের বিদ্যুৎ-এর সিকিউরিটি সিস্টেম দিয়ে রক্ষা করছে, এমনটা আর কে করে!”, বাকিজন উত্তরে বলে – “ডাকাত ব্যাঙ্ক”। নোলান এখানে ব্যাঙ্কটাকেই ডাকাত বলছেন।

tdk 1

সিনেমা দেখতে গিয়ে দর্শক মনে খটকা লাগাটাই স্বাভাবিক – যেই জোকার কিনা বিশাল টাকার স্তূপে হাসতে হাসতে আগুন লাগিয়ে দেয় কিংবা শুধু টাকার জন্যে অপরাধ করে বলে শহরের অন্য ক্রিমিনালদেরকে তাচ্ছিল্য করে, সেই কিনা ব্যাঙ্ক ডাকাতি করতে গিয়েছিল! সম্ভবত টাকার জন্যে না, বরং ব্যাঙ্কটা ডাকাতি করার মূল উদ্দেশ্য ছিলো একটা স্টেটমেন্ট দেয়া যে, সবকিছু উলটপালট করতেই গোথাম শহরে জোকারের আগমন (এইটার আরো প্রমাণ শেষের দিকে ব্যাখ্যায় পাওয়া যাবে)। এরপরে আমরা দেখি চাইনিজ মাফিয়া লাও (যে কিনা সিকিউরিটি ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্কের সিইও পেশার আড়ালে আসলে একজন মাফিয়া) -এর ভাষ্যমতে বোঝা যায় ডাকাতি করা ব্যাঙ্কটাতে গচ্ছিত রাখা টাকার বেশিরভাগটাই ছিলো মূলত শহরের সব ক্রিমিনাল চক্রের। লাও বলতে থাকে – “এটা ছিলো অল্প কিছু টাকা মাত্র। পুলিশ নিয়ে নেয়ার আগেই বাকিটা তোমাদের অনুমতি ছাড়া সরিয়ে ফেলেছি অন্য কোথাও লুকিয়ে রাখতে। চিন্তা করোনা, তোমাদের টাকা নিরাপদেই আছে।”। তখনই জোকার যেন আবার এই ব্যাংকিং সিস্টেমকে তাচ্ছিল্য করতেই নকল হাসির অভিব্যক্তি দিত দিতে বলে – “I thought my jokes were bad”। জোকার কি তবে এমন কেউ যে কিনা ব্যাঙ্কে তার সারাজীবনের সঞ্চয় গচ্ছিত রেখেছিলো, কিন্তু সেই ব্যাঙ্কের মালিক জামানতকারীদের সব টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যাওয়ায়, প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে উঠেছে সে? (ব্যাঙ্কের মালিকানাও বোধহয় এইসব ক্রিমিনালদের- যেমনটা হয়ে থাকে বাস্তবে!)।

tdk 2

 

ব্যাংকিং সিস্টেমের তুলোধুনো করেই জোকার ক্ষান্ত হয়নি – তার টার্গেট ছিলো শহরের দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশ আর ক্রিমিনালরাও। ব্যাঙ্ক থেকে তাদের টাকা চুরি করে সে শুরুটা করে (টাকাটা যে তাদের জোকার কিভাবে ইঙ্গিত দেয় জানতে চান? খেয়াল করুন, বৈঠকে আসা কোনো এক সন্ত্রাসী জোকারের বেগুনী রঙ্গা স্যুটকে সস্তা বলার পরে জোকার এসে বলে – “বাই দা ওয়ে, স্যুটটা কিন্তু সস্তা না। তোমার জানা উচিত ছিলো, কারণ এটা তুমিই কিনেছো”)।

tdk 3

জোকার ক্রিমিনালদের দিনেদুপুরে বৈঠকে বসাকে “গ্রুপ-থেরাপি সেশন” বলে তাদের সাহস নিয়ে ব্যঙ্গ করে। কারণ তারা রাতে বের হয়না ব্যাটম্যানের ভয়ে। টাকার স্তূপে আগুন ধরিয়ে দিয়ে বলে – “তোমরা এই শহরের ক্রিমিনালরা কেবল টাকাই চেনো, এই শহর আরো ভালো কিছু ডিজার্ভ করে। আমি তাদেরকে তা দিবো। এটা আমার শহর!”।

 

গ্যাম্বলের আস্তানায় সে মৃতের অভিনয় করে ঢুকে এবং গ্যাম্বলকে মেরে ফেলার পরে তার সাঙ্গপাঙ্গদের উদ্দেশ্যে বলে – “আমাদের অপারেশনটা খুব ছোটখাটো কিন্তু আমরা খুব এগ্রেসিভলি এক্সপানসন করছি, তোমাদের মধ্যে কোন ভদ্রলোকেরা আমাদের সাথ যোগ দিবে? বাই দা ওয়ে, শুধু একটা পদ খালি আছে, তাই তোমাদের ট্রায়াল দিতে হবে”।

 

ভঙ্গিটা এমন, সে যেন বা কোন কর্পোরেট হাউজের শূন্য পদের জন্য লোক নিয়োগ দিতে চলেছে। এখানে জোকার গ্যাম্বল’স থাগস গ্রুপের মেম্বারদের নিজেদের মধ্যে প্রাণ রক্ষার যুদ্ধে লড়তে বাধ্য করে যেন এটাই প্রমাণ করে যে জোকারের দলের সদস্য হতে হলে আর দশজন গড়পড়তা সন্ত্রাসী হলে হবে না, হতে হবে তার মতই হিংস্র এবং ফ্রিক।

tdk 4

আচ্ছা, তাহলে মনে প্রশ্ন আসে – গোথাম শহরের প্রতি তার এত ক্রোধ কেন? আদতে শহরের সব মানুষকে ভালোমানুষির আড়ালে, ভন্ডামির দায়ে অভিযুক্ত করে জোকার। ইন্টারোগেশন সেলে ব্যাটম্যানের সামনে সে শহরের মানুষের প্রতি বিষোদগার করে – “দেখো, তাদের নিয়মনীতি সবই কৌতুক, সঙ্কট দেখলেই ঝরে পড়ে। তারা ততটুকুই ভালো যতটুকু পৃথিবী তাদেরকে অনুমতি দেয়, আমি তোমাকে দেখাবো। বিপদে যখন পড়বে, এইসব ভদ্রলোকেরা একজন আরেকজনের মাংস খেতে দ্বিধা করবেনা।” আরেকবার জোকার বলে – “আমি কি খেয়াল করেছি জানো? কেউই প্যানিকড হয়না যতক্ষণ পর্যন্ত সব প্ল্যান মাফিক চলতে থাকে… এমনকি প্ল্যানটা ভয়ঙ্কর কিছু হলেও। যদি কালকে কোনো ধর্ষক গুলি খেয়ে মরে কিংবা ট্রাকভর্তি সৈনিকেরা বোমা খেয়ে মরে, কেউই প্যানিকড হবেনা কারণ সেগুলা ঐ পরিকল্পনারই অংশ। কিন্তু আমি বলেছি শুধুমাত্র শহরের বৃদ্ধ মেয়রটাকে মারবো আর তখনই সবাই মাতাল হয়ে গেলো! একটু নৈরাজ্য তৈরী করো, এস্টাবলিশড অর্ডারকে একটু বিচলিত করে দাও, সবকিছুই উলটপালট হয়ে যাবে। এটাই ফেয়ার।”

tdk 5

শহরের ভদ্রলোকেরা বিপদের পড়লে যে একজন আরেকজনের মাংস খেতে দ্বিধা করবেনা সেই প্রমাণ জোকার দেয়ও – দুটো ফেরির মধ্যে রিমোট-বোমা ফিট করে এবং রিমোটগুলো পাল্টাপাল্টি অপর ফেরিতে রেখে দিয়ে। ১টা ফেরিতে সব দাগী আসামীরা, বাকিটাতে সব সিভিলিয়ানরা। সিভিলিয়ানরা ভীত হয়ে পড়ে সবচেয়ে বেশি, পরে তাদের মধ্যে ভোটাভুটিও হয়। বেশ বড় ব্যবধানে সিদ্ধান্ত হয় বোমাটা ফাটানোর। কিন্তু কেউই সাহস করতে পারেনা রিমোটের সুইচ টেপার, কারণ বেঁচে ফেরার পরে লোকনিন্দার ভয় (ঐ যে জোকারের উক্তি ছিলো – তারা ততটুকুই ভালো যতটুকু পৃথিবী তাদেরকে অনুমতি দেয়)। অন্য ফেরিতে থাকা দাগী আসামীরা প্যানিকড হয়না, অনেক পরে একজন এগিয়ে এসে বলে “তোমার সাহস নেই ১০ মিনিট আগেই যেটা করা উচিত ছিলো সেটা করার” এবং তারপরে সে রিমোটটা নদীতে ছুঁড়ে ফেলে (বোধহয় এখানে ভুল মানুষদেরকে জেলে ভরার ইঙ্গিত দিয়েছেন নোলান)। আরেক সময়, ব্যাটম্যানের পরিচয় গোপন রাখার বিনিময়ে মিঃ রিজ যখন বছরে ১০ মিলিয়ন ডলারের জন্যে ব্ল্যাকমেইল করতে আসে, এবং পরে টিভিতে সবার সামনে এই তথ্য দিতে যায়, তখন জোকার রিজকে মারার জন্যে সরাসরি টিভিতে বলে “১ ঘণ্টার মধ্যে ওকে কেউ না মারলে আমি হাসপাতালে বোমা মারবো”। শহরের মানুষজন যাদের প্রিয়জনেরা হাসপাতালে আছে, তারা তখন রিজ’কে মারার জন্যে উন্মত্ত হয়ে পড়ে।

 

এই যে এত দুর্ধর্ষ আর অদ্ভুত রকমের বিশ্লেষণ ক্ষমতাসম্পন্ন জোকার – তার আসল পরিচয়টা কি হতে পারে? এইখানেও কিন্তু জোকার ব্যাটম্যানের চেয়ে সফল – ব্রুস ওয়েইনই যে ব্যাটম্যান সেটা অনেকেই জানে, কিন্তু জোকারের পরিচয়টা কখনোই কারোই আর জানা হয়না। প্যাটন অসওয়াল্টের সাথে সহমত পোষণ করে বলতে চাই – জোকার আসলে হয়তো ছিলো কোনো দুর্ধর্ষ গোয়েন্দাবাহিনীর সদস্য। এসপিওনাজ মুভিগুলো যেমন দেখা যায়, অনেক বেশি জেনে ফেলা বা ভয়াবহ রকমের কোনো মিশনের শেষে অনেক গোয়েন্দাকেই মেরে ফেলা হয় বা বন্দি করা হয়। জোকার কি তবে এমন কেউ? “ট্রাক ভর্তি সৈন্যদের উড়িয়ে দেয়া – সবকিছুই প্ল্যানের অংশ” বলে সে উঁচু লেভেলের কুৎসিত পলিটিক্সের দিকে কি ইঙ্গিত করলো? সে বেশ ভালোভাবেই জানে কিভাবে অন্যদের মানসিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। tdk 6এজন্যে গ্যাম্বলের দলের সামনে তার মুখের ক্ষতটা নিয়ে বলে যে সেটা তার মাতাল বাবার দ্বারা নির্যাতনের ফল (সে জানে যে, নিম্ন শ্রেণীর অপরাধীদের একটা বড় অংশ শিশুকালে পারিবারিক নির্যাতনের শিকার)। হার্ভে ডেন্টের প্রেমিকা র‍্যাচেলের সামনে আবার আরেক গল্প ফাঁদে – সেই ক্ষতটা নাকি তার স্ত্রীর প্রতি ভালবাসা থেকে তার নিজের হাতেই করা। ব্যাটম্যানের সামনে আরেক গল্প শুরু করতে গিয়েছিলো। ইন্টারোগেশন করতে আসা অফিসার গর্ডন আর সুপারহিরো ব্যাটম্যানকেই সে দ্বিধায় ফেলে দেয়। তবে তার সবচেয়ে মাইন্ডব্লোয়িং কাজ ছিলো – গোথামের নায়ক হার্ভে ডেন্টকে টু-ফেস নামের ভিলেনে রূপান্তর করা।

tdk 7

আলোচনার সমাপ্তি টানছি ব্যাটম্যানের সহকারী আলফ্রেড-এর উক্তি দিয়ে। জোকার সম্বন্ধে ব্যাটম্যানকে সাবধান করতে এসে আলফ্রেড বলে – “অনেক দিন আগে বার্মা সরকারের জন্যে একটা প্রজেক্টে কাজ করছিলাম। সরকার হীরা-জহরত ঘুষ দিয়ে সেখানকার বিভিন্ন গোত্রের নেতাদের বশে রাখতো। কিন্তু তাদের ক্যারাভানগুলো বারবার রেঙ্গুনের উত্তরে একটা জঙ্গলের দিকে এক ডাকাতের কাছে লুট হতে থাকে। আমরা ৬ মাস ধরে খুঁজেও সেই ডাকাতের কোনো হদিস পেলামনা। একদিন এক রাস্তার ধারে এক বাচ্চা ছেলেকে দেখলাম কমলার সমান আকারের একটা হীরা নিয়ে খেলছে। ডাকাতটা লুট করা এসব হীরা-জহরত রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলে। কারণ সে এইটাকে নিছক খেলা হিসেবে নিয়েছিলো। কিছু মানুষ আছে, যারা যৌক্তিকতা কিংবা পয়সার ধার ধারে না। তাদেরকে কেনা যায়না, রাগানো যায়না, যুক্তি দিয়ে মানানো যায়না। কিছু মানুষ শুধুমাত্র পৃথিবীটাকে পুড়তে দেখতে চায়।”

 

[ডিসক্লেইমারঃ লেখার এই দৃশ্য বিশ্লেষণগুলা একান্তই আমার নিজের, সেইটা অন্যে কারো ব্যাখ্যার সাথে নাও মিলতে পারে। আমি কমিক সিরিজটাও পড়িনি – সে বিচারেও ব্যাখ্যায় ভুল হতে পারে। তবে কমিক সিরিজের সাথে সিনেমারও মিল নেই, যেমন – কমিকে হার্ভে ডেন্টের মুখে মাফিয়া বস মারোনি এসিড মেরে ঝলসে দেয়, অথচ সিনেমায় জোকারের পাতা বোমায় লাগা আগুনে তার মুখ ঝলসে যায়।]

 

লেখক পরিচিতি :

জামাল উদ্দিন আদনান সিনেমাখোর, সিরিয়ালখোর, খেলাধূলাপ্রেমী, আড্ডাবাজ আর চরম আউটগোয়ার। এসবের ফাঁকে ফাঁকে একটু-আধটু ইঞ্জিনিয়ারিং করার চেষ্টা করেন। পেটের ধান্দার টেনশনে না থাকলে হয়তো ফিল্মমেকার হতেন। ফিল্মমেকার হতে না পারলেও, ফিল্ম নিয়ে পড়াশুনা করাটা থামাননি। তাই যখনই কোনো মুভি ভালো লাগে সেটার চৌদ্দগুষ্টির মর্মোদ্ধার করতে লেগে পড়েন। তিনি স্বপ্ন দেখেন- কর্ণেল স্যান্ডার্স যদি রাস্তায় রাস্তায় চিকেন ফ্রাই বিক্রি করে করে ষাটোর্ধ বয়সে কেএফসির মতন ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক হতে পারেন, ফিল্ম নিয়ে এনালাইসিস করে আর লিখে হয়তো একদিন কুব্রিক, হিচকক হয়ে যাবেন।

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *