MODERN-TIMES-NEWSPAPER-REVIEW_500

চার্লি চ্যাপলিনের চির আধুনিক চলচ্চিত্র মডার্ন টাইমস নিয়ে লিখেছেন তুহিন তালুকদার

 

নির্বাক চলচ্চিত্রের যুগের কথা বললে সবার আগে মনে আসে চার্লি চ্যাপলিনের নাম। চলচ্চিত্র ক্রমে সবাক হয়েছে, এসেছে রঙিন চলচ্চিত্রের যুগ। তবু নির্বাক, সাদাকালো অভিনেতাটিই আমাদের মনে দৃঢ়তম অবস্থানটি অধিকার করে আছেন। এককভাবে সম্ভবত তিনিই সিনেমার জগতের সবচেয়ে প্রভাবশালী আইকন। মডার্ন টাইমস চার্লি চ্যাপলিনের বহুল আলোচিত সিনেমা। এখানে তিনি তার বিখ্যাত লিটল ট্র্যাম্প চরিত্রেই হাজির হন। ছোটখাট, জীর্ণ কাপড় পরা, ছোট গোঁফ, হাস্যকর ভঙ্গিমাবিশিষ্ট মানুষটি কোন কথা না বলেই পুরো পৃথিবীকে হাসিয়েছেন। মডার্ন টাইমস অনেকের মতে, চ্যাপলিনের সেরা চলচ্চিত্র।

 

সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৩৬ সালে। বিংশ শতকের ত্রিশের দশকে অর্থনৈতিক মন্দা প্রকট আকারে দেখা দেয়, শুরুটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে হলেও পুরো পৃথিবীতেই এর প্রভাব পড়ে। বেকারত্ব মহামারীর মত ছড়িয়ে যায়। একদশক জুড়ে চলতে থাকে এই মন্দা, যার নাম – দ্য গ্রেট ডিপ্রেশন। স্টক মার্কেট ক্র্যাশ, ব্যাংক ব্যবস্থার বিপর্যয়, ক্রয় হ্রাস, মেশিন নির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা এসব নানা কারণে বেকারত্ব বাড়ে। বেকারত্ব আর যন্ত্রব্যবস্থার জটিল সম্পর্ক নিয়ে চ্যাপলিন মডার্ন টাইমস নির্মাণ করেছেন। এতো দশক পেরিয়ে আজও সিনেমাটি প্রাসঙ্গিকতা হারায় নি। সিনেমাটিতে কেবল অর্থনৈতিক বিষয় নয়, এসেছে মানুষে মানুষে সামাজিক সম্পর্কের বিষয়ও।

 

সিনেমাটি তৈরির সময় যদিও সবাক সিনেমার প্রযুক্তি চলে এসেছিল, তবুও চ্যাপলিন একে অধিকাংশে নির্বাক রেখেই নির্মাণ করেছেন। তবে শক্তিশালী আবহ সঙ্গীত দৃশ্যগুলোর অনুভূতিকে ধারণ করেছে। সিনেমার অনেক বক্তব্য এবং সংলাপ টেক্সট আকারে দেখানো হয়েছে। শুরুতে টাইটেল কার্ডে দেখানো হয়, “Modern Times” A story of industry of industrial enterprise ~ humanity crusading in pursuit of happiness. সিনেমাতে কী দেখানো হবে তার একটি পূর্বাভাস তাতেই পাওয়া যায়। শুরুর দৃশ্যটিই একটা ভিজ্যুয়াল মেটাফোর। একদল ভেড়া এগিয়ে যাচ্ছে, কাট টু’তে দেখানো হয় কর্মীদের সকালে ঠেলাঠেলি করে অফিসে যাওয়া। বাংলায় গড্ডালিকা প্রবাহ বলে যে বাগধারাটি আছে, সেটা একদম আক্ষরিক অর্থে করে দেখানো হয়েছে প্রথম দৃশ্যে।

 

চ্যাপলিন সিনেমাটিতে পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় সামাজিক সম্পর্কের দিকগুলো বিশেষত, শ্রমিকদের এলিয়েনেশন বা বিচ্ছিন্নকরণের প্রক্রিয়াটি দেখিয়েছেন। কার্ল মার্ক্স এলিয়েনেশন প্রক্রিয়াটি সর্বপ্রথম উল্লেখ করেন। এলিয়েনেশন প্রক্রিয়ায় মানুষ সমাজের অন্যদের কাছ থেকে মানসিকভাবে বিচ্ছিন্ন হতে থাকে। মার্ক্স বলেন, অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কারণেই শ্রমিকেরা ক্রমে এলিয়েনেশন ও বিমানবিকীকরণ (dehumanization) প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়। যেটা ক্রমে তাদের সোশ্যাল এলিয়েনেশন বা সামাজিক বিচ্ছিন্নতাও ঘটায়।

 

মার্ক্সের কনফ্লিক্ট থিওরী অনুযায়ী, পুঁজিপতি চাইবে মুনাফা বাড়াতে। ফলে তারা শ্রমিকের বেতন ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা কমাতে চাইবে। এতে শ্রমিক ও মালিক পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়বে, যা ক্রমে শোষিত শ্রমিকদের বিপ্লবের দিকে নিয়ে যাবে। বিপ্লবের মাধ্যমে সমাজে পরিবর্তন আসবে, ঘুরে যাবে নিয়ন্ত্রণের চাকা। মালিকপক্ষ তাই বিপ্লবের সম্ভাবনাকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করবে, এটাই স্বাভাবিক। এলিয়েনেশন প্রক্রিয়া শ্রমিকদের পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন করার কাজটি করে। প্রক্রিয়াটি কয়েকভাবে হতে পারে।

paradise

 

১) শ্রমিকেরা যে পণ্যটি প্রস্তুত করে তারা নিজেরাই সেটা ব্যবহার করে উঠতে পারে না। ফলে উৎপাদিত পণ্যের উপর তাদের একটা নিজস্বতার বোধ (Ownership feeling) গড়ে ওঠে না। তাদের কাজে পুঁজিপতি লাভবান হন। তাদের নিজেদের অবস্থার উন্নতি হয় না। মডার্ন টাইমসে দেখা যায়, স্টীল মিলে বছরের পর বছর কাজ করেও শ্রমিকেরা দরিদ্রই থেকে যায়।

 

২) শ্রম বিভাগের কারণে শ্রমিকেরা যার যার কাজটাই কেবল করতে শেখে। এতে অন্য শ্রমিকেরা কী কাজ করে তারা জানতে পারে না। একদল আরেক দলের সাথে কাজ ভাগাভাগি বা বদলা বদলি করতে পারে না। কোন কারণে কাজটি হারালে ঠিক একই রকম কাজ অন্য কোথাও পাওয়া তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। একারণে মালিকপক্ষও তাদের ক্রমাগত শোষণ করার সুযোগ পায়। মডার্ন টাইমসে চার্লি চ্যাপলিনের চরিত্রটি কেবল নাট বল্টুতে টাইট দেওয়ার কাজ করত। কাজটি হারানোর পর তাকে বেকারত্ব বরণ করে নিতে হয়।

 

৩) শ্রমিকদের চাকরি পেতে নিজেদের মধ্যেই প্রতিযোগিতায় নামতে হয়। শ্রমিকদের সবার দক্ষতা সবসময় সমান হয় না। শারীরিক যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে তারা কাজ পায় বা হারায়। ফলে তাদের নিজেদের ঐক্য ব্যাহত হয় এবং বিচ্ছিন্নতার উপক্রম হয়। চার্লি চ্যাপলিন চিত্রায়িত ট্র্যাম্প স্টীল মিলে বিগ বিলের সাথে কাজে তাল মেলাতে পারে না বলে তাকে ভর্ৎসনা শুনতে হয়। শ্রমিকদের অনেক ঝুঁকিপূর্ণ কাজও করতে হয়। এতে তারা কখনো দুর্ঘটনায় পড়লে প্রতিষ্ঠান তার দায় দায়িত্ব নেয় না। এক ডিপার্টমেন্ট স্টোরে দারোয়ানের পা ভেঙে গেলে চ্যাপলিন তার জায়গায় চাকরি পায়। সেখানে এক রাতে ডাকাত আক্রমণ করে। চার্লি চ্যাপলিন আবিষ্কার করে সেটা তার পুরনো বন্ধু বিগ বিল, সেও স্টীল মিলে চাকরি ধরে রাখতে পারে নি। সে বলে, We ain’t burglars, we are hungry. চ্যাপলিনকে একবার পুলিশ জেলে আটকে রাখে। পরে ছেড়ে দিতে চাইলে সে ছাড়া পেতে চায় না। কারণ তাতেই তো আবার নির্মম পৃথিবীতে জীবিকার সন্ধানে নামতে হবে।

 

৪) জীবিকার সন্ধানে শ্রমিকদের এতটাই ব্যস্ত থাকতে হয় যে, তাদের নিজেদের সাথেই নিজেদের দূরত্ব সৃষ্টি হয়ে যায়। নিজের জীবনের চাওয়া পাওয়া বলতে কিছু থাকে না, যেন উৎপাদনের স্বার্থেই বস্তুর মত বেঁচে থাকা। শ্রমিকেরা মানুষের জীবন যাপন করতে পারে না, জীবিকাই যাপন করতে হয় তাদের। স্টীল মিলে ক্রমাগত স্ক্রু টাইট দেওয়ার কাজ করতে করতে চ্যাপলিন অন্যসময়ও একই ভঙ্গিতে শরীরে ঝাঁকুনি দিত। এভাবে শ্রমিকেরা উৎপাদনের উপাদানে পরিণত হয়। যখন আমরা শ্রমিককে হিউম্যান রিসোর্স বা হিউম্যান ক্যাপিটাল হিসেবে উল্লেখ করি, তখন তাদের বস্তুগতই মনে হয়।

 

এধরণের বিচ্ছিন্নতায় শ্রমিকদের জীবনে ও মনে নানা ধরণের প্রভাব পড়তে পারে।

 

১) তাদের নিজেদের ক্ষমতাহীন মনে হতে পারে। তাদের বোধ হতে থাকে, শোষিত হওয়া তাদের নিয়তি এবং এ থেকে তাদের কোন নিস্তার নেই। তারা নিজেদের শক্তিতে বিশ্বাস হারাতে শুরু করে এবং কনফ্লিক্ট বা বিপ্লবের মাধ্যমে পরিবর্তন আনার মানসিক শক্তি তাদের থাকে না। সিনেমায় চ্যাপলিন ও তার সঙ্গী মেয়েটি নানারকম কাজ করে নিজেদের ভবিষ্যত গড়ার চেষ্টা করে। কিন্তু দুর্ভাগ্য এবং সিস্টেম তাদের উঠে দাঁড়াতে দেয় না। একসময় তারা নিজেদের প্রশ্ন করে – What’s the use of trying? যারা পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় নিজেদের একটা সুবিধাজনক অবস্থান তৈরি করতে পারে নি, দারিদ্র্য এবং হতাশা থেকে তারা মুক্তি পায় না।

 

 

২) এলিয়েনেশনের কারণে সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন বোধ হতে পারে। যদি মানুষ অতিরিক্ত শোষিত হয় এবং নিজেকে সমাজের নিম্নস্তরের বলে মেনে নেয়, তাহলে সামাজিক প্রথা, নিয়ম কানুন, আইন এবং সর্বোপরি যূথবদ্ধতার প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করতে পারে না। সিনেমাটিতে চ্যাপলিন ও তার সঙ্গী মেয়েটি যে ঘরের কথা চিন্তা করে তাতে কেবল তারা দুজনেই ছিল, সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন এবং ভেবেছিল এভাবেই তারা সুখী হবে। বিচ্ছিন্ন ঐ ঘরটিই ছিল তাদের কাছে -Paradise.

 

 

৩) এলিয়েনেশন প্রক্রিয়ায় নিজেদের সাথে দূরত্ব সৃষ্টি হলে নিজের স্বপ্ন, কল্পনা, বাসনা বলতে কিছু থাকে না। মনে হয়, যেন অন্যের মুনাফার চাকা ঘোরানোর জন্য বেঁচে থাকা। নিজের জীবনের কোন লক্ষ্যই নেই। একসময় বেঁচে থাকা অর্থহীন মনে হয়। অর্থহীনতা তীব্র আকার ধারণ করলে মানুষের পক্ষে আত্মহত্যা করাও অসম্ভব নয়। চ্যাপলিন অভিনীত চরিত্রটি একবার স্টীল মিলে কাজের চাপে নার্ভাস ব্রেকডাউনের শিকার হয় এবং চারপাশের সবকিছু ওলট পালট করে দিতে থাকে।

 

ইলেক্ট্রো স্টীল কোম্পানীর গল্পের মাধ্যমে পুরো পুঁজিবাদী ব্যবস্থাটি এখানে দেখানো হয়েছে। এর প্রেসিডেন্ট শ্রমিকদের পাহারা দেওয়ার জন্য সবখানে ক্যামেরা স্থাপন করে রেখেছে, এমনকি বাথরুমেও। কেউ কাজ ছেড়ে একটু নড়লেই সিসি ক্যামেরায় ধমক দিয়ে বলেন, go back to work. তাকে কেবলই বলতে শোনা যায়, Section 5 more Speed. মুনাফার চাকা দ্রুত ঘোরানো ছাড়া আর কিছু বিবেচ্য নেই তার। আদেশ দেওয়া ছাড়া আর কোন সহযোগিতা তার কাছে পাওয়া যায় না। বাথরুমের জন্যও সে কার্ড পাঞ্চ করে যাওয়ার ব্যবস্থা রেখেছে, যাতে কেউ বেশি সময় নষ্ট করতে না পারে। মনে হতে পারে, এখানে একটু বাড়াবাড়ি নজরদারি দেখানো হয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশের গার্মেন্টসগুলোতে বাথরুমে যাওয়ার ব্যাপারেও কড়াকড়ি নিয়ম থাকে। অনেক গার্মেণ্টসকর্মী অল্পদিন কাজের পরেই নানারকম কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত হন।

 

সিনেমায় দেখানো হয়, কর্মীদের দুপুরের খাবারের সময় কমানোর জন্য লাঞ্চ মেশিন আবিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই মেশিনটা ব্যবহার করা হয় না। লাঞ্চ মেশিনের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে শ্রমিকদের আহত হওয়ার জন্যে নয়, বরং যন্ত্রটি প্র্যাক্টিক্যাল নয় বলে সেটাকে বাদ দেওয়া হয়। খরচ বাঁচাতে শ্রমিকদেরই গিনি পিগ বানানো হয় পুঁজিবাদী ব্যবস্থায়। শ্রমিকদের কোন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় না। সরাসরি কাজে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে কোন বিপত্তি ঘটলে শ্রমিককেই দায়ী করা হয়। শ্রমিকদের অসহায়ত্ব এতোটা বাস্তবিকভাবে খুব কম ছবিতেই দেখানো হয়েছে। “সম্পদের অসাম্য” পুঁজিবাদী ব্যবস্থার এক অবশ্যম্ভাবী পরিণতি। যেখানে শ্রমিকেরা সামান্য জীবিকার ব্যবস্থা করতে পারছে না, সেখানে ঐ ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে থরে বিথরে সাজানো বিলাসী পণ্য, যা কোন মানুষ একজীবনে ব্যবহার করেও শেষ করতে পারবে না। চ্যাপলিন সেগুলো দেখে বুঝতেও পারে না, কোনটা কী কাজে লাগে।

 

এই সিনেমায় চমৎকার সব সেট তৈরি করা হয়েছে। বড় বড় পুলি এবং গীয়ার ব্যবহার করে যে সেটটি বানানো হয়েছে, সেটা আমাদের স্টীল মিল বলে বিশ্বাস করে নিতে বাধ্য করে। যন্ত্রের ভেতরে মানুষের আটকা পড়ার দৃশ্যের জন্য যন্ত্রগুলোই সম্ভবত সেভাবে বানিয়ে নিতে হয়েছিল। যন্ত্রগুলো বিমানবিকীকরণ (dehumanization) প্রক্রিয়ার প্রতীক। চ্যাপলিন ও ভবঘুরে মেয়েটি একটি ভাঙাচোরা কাঠের বাড়িতে সাময়িক আশ্রয় নেয়। সেটা ইচ্ছাকৃতভাবে ভঙ্গুর করে বানানো, যার তার এক একটি অংশ ভেঙে পড়ার দৃশ্য হাসির উদ্রেক করে।

 

modern-times-1200-1200-675-675-crop-000000

 

মানুষ যন্ত্রব্যবস্থা আবিষ্কার করেছে নিজেদের জীবনের বোঝা হালকা করার জন্য। কিন্তু সাম্যের অভাবে তার সুবিধা কেবল গুটিকয়েক মানুষই পায়। বাকিদের শুধুই অন্যদের জীবনকে সহজ করার ভার বহন করতে হয়। মডার্ন টাইমসে স্টীল মিলের একাধিক দৃশ্যে দেখা যায়, মানুষ যন্ত্রের ভেতরে আটকা পড়ে গেছে। দৃশ্যগুলো কমিক ধরণের করে দেখানো হলেও এটা একটা শক্তিশালী বার্তা বহন করে। আমরা নিজেদের ফাঁদে নিজেরাই আটকা পড়ে যাচ্ছি। লোভ আমাদের আবদ্ধ করে ফেলছে ক্ষুদ্র গণ্ডিতে।

 

লেখক পরিচিতি :
তুহিন তালুকদার পেশায় প্রকৌশলী, কর্মরত আছেন বাংলাদেশ ব্যাংকে। শখের বশে সিনেমা দেখেন। অ্যানিমেশান ফিল্ম তার বিশেষ পছন্দের। টুকটাক গল্প, প্রবন্ধ ইত্যাদি লিখে থাকেন। শিশুদের জন্য লিখতে অনেক ভালোবাসেন। সিসিমপুর থেকে ‘আগুন ও হালুমের পায়েস’ নামে একটি সচেতনতামূলক চিত্রিত বই প্রকাশিত হয়েছে। ভ্রমণে বিশেষ আগ্রহ আছে তার। ডিজনী-পিক্সার এবং স্টুডিও গিবলির ফিল্মগুলো খুব পছন্দ করেন। প্রিয় পরিচালক হায়াও মিয়াযাকি ও তৌকির আহমেদ। প্রিয় অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবু, আমির খান ও টম হ্যাংস।

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *