no164-my-eye

স্ট্যানলি কুবরিকের সর্বশেষ চলচ্চিত্র আইজ ওয়াইড শাট নিজেও যেন এক হেঁয়ালি। ছবিটির নির্মাণের গল্প বলেছেন ব্রায়ান র‌্যাফার্টি তার How 1999 Blew Up the Screen শীর্ষক বইতে। “Dream Team” নামের সে অধ্যায়টি অনুবাদ করেছেন স্নিগ্ধ রহমান

 

যদি ১৯৯৯ সালকে নিক্তিতে তুলি, শুধুমাত্র একটা নামই ছিলো স্টার ওয়ার্সের চেয়ে জনপ্রিয় – টম ক্রুজ। তার মন্ত্রবলে মিশন ইম্পসিবল ও জেরি ম্যাকগয়ারের মতো ছবিগুলো বিশ্বজুড়ে সাফল্য পায়। ক্রুজ আরেকটি কাজ সফলভাবে করতে পেরেছিলেন। নিজ পেশাদারী জীবনের উপর তার অতিসতর্ক নিয়ন্ত্রণ ক্রুজকে গোটা পৃথিবীর সামনে “গ্রহের নিখুঁততম ব্যক্তি” বানিয়ে দিয়েছিলো। ‘৮৩ সালের Risky Business-এর 7a503753e350fb9c3fde73131b5dacd2পর থেকেই ক্রুজের ঈর্ষণীয় উত্থানের শুরু, যা নব্বইয়ের দশকে শীর্ষবিন্দুতে গিয়ে পৌঁছায়। তখন চিত্রতারকাদের নিত্যদিনকার কর্মকাণ্ড ছিলো ম্যাগাজিনের কভার থেকে লেট নাইট টক শোগুলোর আলোচ্য বিষয়। ফলস্বরূপ ক্রুজ, ফোর্ড, ক্যারির মতো তারকারা এমন দেবতুল্য সমাদর পেতে শুরু করেন, যেমনটা কিনা তৃতীয় বিশ্বের স্বৈরশাসকরা পেয়ে থাকেন।

তবে কেউই ক্রুজের মতো এতটা মোহনীয় ছিলেন না, যার গুণে যে কোন ছবি অনায়াসে শত মিলিয়নের অঙ্ক পেরোতো। ক্রুজের তাকতে বলীয়ান হয়ে Born on the Fourth of July আর Interview with the Vampire-এর মতো ছবিগুলো স্টুডিওর মনোযোগ পায়। এই দুটো ছবি এক দশকেরও বেশি সময় জুড়ে নির্মাণের প্রাথমিক চৌকাঠে থমকে ছিলো। “নিজেকে সেরা প্রমাণ করা” ছাড়াও ক্রুজের আরেকটি বৈশিষ্ট্য আছে, চলচ্চিত্র ও এই শিল্পের মানুষের প্রতি ভালোবাসা। ছোটবেলায় তার পরিবার হরদম শহর পাল্টাতো। পরিবার যে শহরের বাসিন্দা হোক না কেন, বরাবরই সেখানকার প্রেক্ষাগৃহগুলোর এক পরিচিত মুখ ছিলেন টম। ক্রুজ একবার বলেছিলেন, “খারাপ কিংবা ভালো সময়, সিনেমা সবসময় আমার জীবন বাঁচিয়েছে”। কৈশোরে ক্রুজকে সবচে বেশি নাড়া দিয়ে গিয়েছিলো স্ট্যানলি কুবরিকের 2001: A Space Odyssey। সেই সিনেমা দেখে ক্রুজের ছোট্ট মাথায় জীবন, মহাশূন্য ও অস্তিত্ববাদের মতো জটিল চিন্তা ঘুরপাক খেতে শুরু করে।

ক্রুজ যখন উপরোক্ত ভাবনায় বিভোর, কুবরিক তখন আর্থার শ্নিৎজলারের জার্মান উপন্যাসিকা Traumnovelle (ইংরেজী নাম Rhapsody: A Dream Novel)-এ নিমগ্ন। যদিও তার পরবর্তী চারটি চলচ্চিত্রের কোনটির জন্যই কুবরিক এই গল্পটি বেছে নেননি। ১৯৮৭ সালে যখন Full Metal Jacket মুক্তি পায়, ততদিনে মার্কিন নাগরিক কুবরিকের ইংল্যান্ড নিবাসের বয়স কুড়ি ছুঁইছুঁই। GettyImages-106952008সাংবাদিকদের সাথেও খুব একটা কথা বলেন না।  ফলে কুবরিক একজন খামখেয়ালী, ঘাড়ত্যাড়া আদমি হিসেবে পরিচিতি পেয়ে যান; যিনি নিজের উৎকর্ষতার জালে নিজেই আটকা পড়ে আছেন। গুজব ছিলো, কুবরিক নাকি গাড়ির গতি পঞ্চাশের কাঁটা পেরোলেই ভয় পান। অথচ কুবরিক পরে জানিয়েছিলেন, নিজের পোর্শ গাড়িটিকে তিনি ১৩০ কিলোতেও চালিয়েছেন।

তবে চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে কুবরিক ধীরে চলো নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। সিদ্ধান্ত নেবার প্রায় দুই যুগ পর, ১৯৯৪ সালে ফ্রেডেরিক রাফায়েলকে নিয়ে শ্নিৎজলারের গল্পটার চিত্রনাট্য লিখতে শুরু করেন। উনিশ শতকের ভিয়েনা হয়ে যায় আধুনিক সময়ের নিউ ইয়র্ক। চলচ্চিত্রটি নির্মাণকালীন সময়েও, কুবরিক গল্পে বেশ কিছু পরিবর্তন আনেন। এমনও হয়েছে ভোররাত ৪টার সময়ে কুবরিক পরের দিনের স্ক্রীপ্ট ফ্যাক্স করেছেন।

চিত্রনাট্য নিয়ে প্রযোজক ওয়ার্নার ব্রাদার্সের কাছে গেলে (আসলে তারাই লন্ডনে কুবরিকের কাছে এসেছিলো), ছবির ৬৫ মিলিয়ন ডলার বাজেট শুনে তারা টম ক্রুজের নাম প্রস্তাব করে। কারণ একমাত্র ক্রুজের পক্ষেই এত বড় লগ্নি ফিরিয়ে আনা সম্ভব। প্রযোজকের ফোন পেয়ে ক্রুজ পরেরদিনই হেলিকপ্টার নিয়ে কুবরিকের বাসায় উপস্থিত হন। কুবরিক অবশ্য শুরুতে ততটা আগ্রহী ছিলেন না। The Shining-এর পর থেকে তিনি নামজাদা তারকাদের প্রতি কিছুটা বিরূপ হয়ে পড়েছিলেন। কারণ তারা চলচ্চিত্র নির্মাণের সময় খুব বাগড়া দেয়। তবে ক্রুজের সাথে আড্ডা জমে ওঠতে সময় লাগে না। কারণ দুজনেই নিউ ইয়র্ক ইয়াঙ্কী, এয়ারপ্লেন আর ক্যামেরার বিশেষ ভক্ত ছিলেন। ক্রুজের মনে হয়, কুবরিক যেন কোন যাদুকর।

নিজের অবস্থান পোক্ত হবার পরে, ক্রুজ সহঅভিনেত্রী হিসেবে স্ত্রী নিকোলের জন্য তদবির করেন। সে সময়কার সুপারস্টার নিকোল কিডম্যানও কুবরিকের ভক্ত ছিলেন। স্কুল পালিয়ে দেখেছিলেন ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ আর বয়ফ্রেন্ডের সাথে দ্য শাইনিং (যদিও শাইনিং দেখার চেয়ে “রোম্যান্স” করতেই তখন বেশি ব্যস্ত ছিলেন নিকোল)। নিকোল বলেন, “স্ক্রীপ্ট নিয়ে আমি একদমই মাথা ঘামাইনি। আমার মূল লক্ষ্য ছিলো স্ট্যানলির সাথে কাজ করা।”

কুবরিকের ইচ্ছা ছিলো, গ্রীষ্মে শ্যুটিং শুরু করে সে বছরের ক্রীসমাসে কাজ শেষ করবেন। টম খুব একটা নিশ্চিত ছিলেন না। কারণ কুবরিকের নির্মাণরীতি নিয়ে তিনি ইতোমধ্যে যথেষ্ট গবেষণা করেছেন। ৯৫ পৃষ্ঠার চিত্রনাট্য ধারণ করতে কুবরিকের কমসে কম এক বছর তো লাগবেই। তাই ১৯৯৬ সালের শেষের দিকে, ক্রুজ আর কিডম্যান তাই তাদের দুই সন্তানকে নিয়ে ইংল্যান্ডে একটা ছোট্ট বাড়ি ভাড়া করলেন।

বাড়িটা ছিলো শ্যুটিংস্থল পাইনউড স্টুডিওর কাছে। স্টুডিওতে খুব অল্প লোক থাকলেও, নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেশ তাগড়া ছিলো। পরিচালক পল টমাস অ্যান্ডারসন গিয়েছিলেন টম ক্রুজের সাথে ম্যাগনোলিয়া ছবিটি নিয়ে কথা বলতে। নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে Eyes-Wide-Shut-211ঢুকতেই দেয়নি। পরে টম ক্রুজ নিজেই এসে পল টমাসকে স্টুডিওর ভেতরে নিয়ে যান। কুবরিকের সাথে দেখা হবার পর পল তাকে জিজ্ঞেস করেন, “আপনি কি সবসময়ই এই কম ক্রু নিয়ে কাজ করেন?” কুবরিক কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বলেন, “কেন? তোমার কতজন লোকের প্রয়োজন পড়ে?”

এই পাইনউড স্টুডিওকে কুবরিক পুরো নিউ ইয়র্কে পরিণত করেছিলেন। পুঙ্খানুপুঙ্খ বিষয়গুলো তিনি সেটে রেখেছিলেন। ওয়ার্নার ব্রাদার্সের মার্কেটিং বিভাগে কর্মরত ডন বাকলি’র কাছ থেকে একটা মজার গল্প জানা যায়। “কুবরিক সেট ডিজাইনের অংশ হিসেবে কিছু নিউজপেপার ভেন্ডিং মেশিন (honor box) চেয়েছিলেন। একটি পত্রিকা সেটা দিতে রাজি না হওয়ায়, আমাদের এক কর্মী বোল্ট কাটার দিয়ে তাদের ভেন্ডিং মেশিন উপড়ে নিয়ে আসে। ঐ লোকটা কুবরিককে পূজা করতো…আমরা সবাই করতাম।”

ফুল মেটালের পর কুবরিক একটা দীর্ঘ বিরতি নিয়েছিলেন। ততদিনে কুবরিকের একদল অনুরাগী জন্ম নিয়েছিলো, যারা কিনা ফ্রেম বাই ফ্রেম তার ছবি নিয়ে আলোচনা করতো। তার চলচ্চিত্রকে ক্রুজ ডাকতেন “perfect visions” বলে। একসময় সবাই ভেবেছিলো, কুবরিক হয়তো আর কোন চলচ্চিত্র নির্মাণ করবেন না। এমন সময়ে অভিনেতা ও পরিচালক টড ফিল্ড তার এজেন্টের কাছ থেকে একটা ফোন কল পান, টড তখন গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এজেন্ট টডকে জানায়, স্ট্যানলি কুবরিক তাকে খুঁজছেন। কথাটা শুনে টড এতটাই চমকে যান যে, সামনের গাড়ির সাথে ধাক্কা লাগিয়ে বসেন। শুটিঙের প্রথম দিনে টড গিয়ে কুবরিককে নিজের পরিচয় দিলে, কুবরিক হেসে দিয়ে বলেন, “I know who the f**k you are. I hired you”।

কুবরিক সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করতেন, যা কিনা মাঝেমধ্যে মাঝরাতে গিয়ে গড়াতো। কখনো তিনি মাত্র দুটো টেকে সন্তুষ্ট হতেন আর কখনোবা ৮০টি টেকের প্রয়োজন পড়তো। একবার ঝগড়ার একটা দৃশ্য ধারণ করতে কুবরিক eyes-wide-shut-BEDROOM-1200x674 হপ্তাখানেক সময় নিয়েছিলেন। নিকোল আর টমের একসময় মনে হতো, তারা বুঝি ঐ সেটেরই বাসিন্দা। তারা এমনকি সেটের খাটটিতে ঘুমিয়েও পড়তেন।বেডরুমের সেই সেট কুবরিক তার নিউ ইয়র্কের বাসার আদলে তৈরী করেছিলেন। যেটাকে নিকোল পরে নিজের সত্যিকারের বেডরুমের মতো করে সাজিয়ে ফেলেন। শ্যুটিঙের ফাঁকে একবার কুবরিক স্টিভ মার্টিনের একটা চরিত্র (The Jerk) নকল করে দেখান। অনেক আগে, এই স্টিভ মার্টিনের সাথে কুবরিক একবার দেখা করেছিলেন। তিনি জানতে চাচ্ছিলেন আইজ ওয়াইড ছবিটিতে কাজ করতে মার্টিন আগ্রহী কিনা। আলোচনাটা তখন খুব বেশিদূর না এগোলেও, দুজনে বসে দাবা খেলেছেন। মার্টিন সেবার তুখোড় দাবাড়ু কুবরিকের কাছে হেরে গিয়েছিলেন।

আইজ ওয়াইড শাটের শ্যুটিং কবে শেষ হবে কারো জানা ছিলো না। জেনিফার জেসন লি আর হারভে কিটেল শ্যুটিঙের মাঝপথে ছবিটি ছেড়ে দেন। টম ক্রুজ তার মিশন ইম্পসিবল টু-এর কাজ পিছিয়ে দেন (১৯৯৮ সালে মুক্তির দিনক্ষণ ঠিক করে রাখা চলচ্চিত্রটি দুই বছর পরে মুক্তি পায় আর পরিণত হয় সে বছরের সবচে ব্যবসাসফল ছবিতে)। এক সময় সবাই ধরে নিয়েছিলো আইজ ওয়াইড শাট আদৌ মুক্তি পাবে না। এর শ্যুটিং শেষতক ৪০০ দিন পর্যন্ত চলে। এটা এমন এক রেকর্ড, যা আজও ভাঙেনি। ক্রুজ খুব আগ্রহ আর শঙ্কা নিয়ে সর্বশেষ দিনটির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। চলে যাবার আগে তিনি কুবরিককে জড়িয়ে ধরে বলেন, “আই লাভ ইউ, স্ট্যানলি”। স্ট্যানলি জবাবে বলেন, “হুঁ, আমি সেটা জানি।”

Eyes-Wide-Shut

কুবরিক পরবর্তী এক বছর সময় নিয়ে চিত্র সম্পাদনার কাজ করেন। অবশেষে ১৯৯৯ সালের মার্চ মাসে টম আর নিকোল ছবিটি দেখার সুযোগ পান। ওয়ার্নার ব্রাদার্সের সেই প্রদর্শনী কক্ষে শুধুমাত্র তাদের দুজনের প্রবেশাধিকার ছিল। স্বাভাবিকভাবেই, কুবরিক নিজে আসলেও একটা ফরমান জারি করে রেখেছিলেন। প্রোজেকশনিস্টকে পুরোটা সময় অন্য দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। তিন ঘণ্টার ছবিটি টম আর নিকোল টানা দুইবার দেখেন। প্রথমবার তারা স্রেফ হতভম্ব হয়ে বসেছিলেন। দ্বিতীয়বার দেখার পর নিকোলের মনে হয়, “বাপ রে, এটা নিয়ে সমালোচনার অভাব হবে না”।

এরপরে ক্রুজ MI 2-এর শুটিঙের জন্য অস্ট্রেলিয়া চলে যান। সেখান থেকে কুবরিককে ফোন করলে, কুবরিকের সহযোগী ফোন ধরে। জানায়, স্ট্যানলি কুবরিক আর বেঁচে নেই। এর চার মাস পরে আইজ ওয়াইড শাট মুক্তি পায়। পুরো ছবি জুড়ে বলিষ্ঠ maxresdefaultসব যৌন দৃশ্য থাকায় MPAA (Motion Picture Association of America) এটাকে NC-17 রেটিং দিতে চায়। নড়েচড়ে বসে ওয়ার্নার ব্রাদার্স। NC-17 রেটিং বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রগুলোর জন্য প্রাণঘাতী, যেটা থাকলে প্রাপ্তবয়স্করা বাদে আর কেউ ছবিটি দেখতে পারে না। বাধ্য হয়ে ওয়ার্নার কিছু দৃশ্যে পরিবর্তন আনে, যা ব্যাপক সমালোচকদের জন্ম দেয়। ক্রিটিক্সদের জন্য আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনীর এক পর্যায়ে, রজার ইবার্ট তার সিট থেকে উঠে দাঁড়িয়ে ওয়ার্নার ব্রাদার্স স্টুডিওকে বিদ্রূপ করতে শুরু করেন। তার আচরণ পরিচালক টড ফিল্ডকে তখন বেশ অবাক করলেও, এখন তিনি বিষয়টি বুঝতে পারেন, “স্ট্যানলির ব্যাপারে সবাই খুব স্পর্শকাতর ছিলো”।

যদিও মুক্তির পরে ছবিটি নিয়ে সবার মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ছিলো। বেশিরভাগ দর্শক ছবিটি বুঝতেই পারেনি। সে সপ্তাহে স্ত্রীসহ বিমান দূর্ঘটনায় মারা যায় জন কেনেডি জুনিয়র (প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডি’র ছেলে)। সবার মনোযোগ সেদিকে চলে যায়। সবমিলিয়ে এটি ভালো ব্যবসাও করেনি। দশ বছরের মাঝে ক্রুজের এই ছবিটি সবচে কম টাকা কামায়। তবে পরিচালকদের খুব ভালোবাসা পেয়েছিলো। স্করসেজি এটাকে নব্বই দশকের অন্যতম সেরা মুভি হিসেবে ঘোষণা দেন। স্টিভেন সোডারবার্গের মনে হয়, কুবরিক দেখাতে চেয়েছেন একটা সম্পর্কে কোন কথাগুলো ব্যক্ত ও অব্যক্ত থাকা উচিৎ। ক্রিস্টোফার নোলান এটা বর্ণনা করেন, “স্পেস অডিসি অফ রিলেশনশিপ মুভিজ” বলে।

কুবরিক ভক্তদের ধারণা, দর্শকরা কখনো সত্যিকারের আইজ ওয়াইড শাট দেখার সুযোগ পায়নি। The Shining আর 2001: A Space Odyssey ছবি দুটোর প্রাথমিক প্রদর্শনী হবার পরে, কুবরিক আবার সেগুলোর উপর কাঁচি চালান। কে জানে, তিনি বেঁচে থাকলে হয়তো ভিন্ন কোন আইজ ওয়াইড শাটে আমরা চোখ মেলতাম।

 

Spartacus - 1960

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *