960x0

𝐌𝐞𝐧 𝐢𝐧 𝐁𝐥𝐚𝐜𝐤 𝐈𝐧𝐭𝐞𝐫𝐧𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧𝐚𝐥 নিয়ে লিখেছেন শাকিব চৌধুরী।

কেউই এই ছবিটার বানানোর জন্য আকুল আবেদন করেনি, কিন্তু কি সনি এসবের থোড়াই কেয়ার করে। তাই তারা পুরনো সমীকরণ কেঁচে গণ্ডূষ করে নতুন অঙ্ক কষতে বসেছিলো। আর ফলাফল- শূন্য!

ভয়াবহ বাজে রটেন স্কোর আর প্রথম সপ্তাহের গরিবী আয় দেখে বুঝে গিয়েছিলাম ছবিটা নিশ্চিত ভরাডুবি বৈ আর কিছুই নয়। কিন্তু থর আর ভ্যালকেরিকে অগ্রাহ্য করি কিভাবে! এই দুই অ্যাভেঞ্জারকে দেখার আনন্দ অবশ্য প্রথম পনেরো মিনিটের মাঝে উবে গিয়েছিলো। ছবির কোন কিছুই যে কাজ করছিলো না। গল্প (কিংবা গল্পের অভাব)-এর কথা সর্ব প্রথমে আসবে। ক্রিস হেমসওর্থ আর টেসা টমসনের মাঝে কোন রসায়ন ছিলো না আর তাদের চরিত্র লেখা হয়েছে খুব হালকা ধাঁচে। দুজনেই একইরকম বিভ্রান্ত ও পরিহাসপ্রিয়। আমি বলছি না দুজনের দুই ভুবনের বাসিন্দা হতে হবে, কিন্তু তাদের বৈচিত্র্যহীনতা ছবিটাকে আরো নিষ্প্রাণ করেছে।

ক্রিস হেমসওর্থকে আমার বরাবরই ভালো লাগে, কিন্তু মার্ভেলের বাইরে তার আমলনামা সুবিধার নয়। এই সিনেমার চরিত্রটি যেন র‌্যাগনারক কিংবা এন্ডগেমের থর চরিত্রটির প্রতিবিম্ব। অনেকেই আছেন, যারা একই ধাঁচের চরিত্র বারংবার করে থাকেন (যেমন : কিয়ানু রিভস কিংবা টম ক্রুজ)। কিন্তু এরা সেই চেনা চরিত্রের মাঝে এমন ছোট্ট ছোট্ট পরিবর্তন আনেন যে, সেগুলোকে ভিন্ন আর বিশ্বাসযোগ্য লাগে। কিন্তু এখানে ক্রিস যেন স্যুট পরিহিত থর হিসবে এসেছিলেন। তাই তাকে দেখে ভালো লাগলেও, এজেন্ট এইচ হিসেবে মানতে পারিনি। আর টেসা টমসন তো কোন তল খুঁজে পাননি।

নির্মাণকালীন সময়ে পরিচালক এফ. গ্যারি গ্রে আর প্রযোজকের মাঝে নাকি ভালো রকম মতানৈক্য হয়েছিলো। ফলস্বরূপ এমন একটা বিশৃঙ্খল ছবি বের হলো। এটা পয়সা খরচ করে হলে গিয়ে দেখার কোন মানেই হয় না।

রেটিং : ৩/১০।
(ইংরেজী থেকে অনূদিত)

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *